advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ব্রেক্সিট হবে ৩১ অক্টোবরেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২১ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০১৯ ০১:১৯
ছবি : সংগৃহীত
advertisement

সংসদে প্রবল বিরোধিতার মুখে পড়ার পরও ব্রিটিশ সরকার মনে করছে, ৩১ অক্টোবর নির্ধারিত দিনের মধ্যেই ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে বিচ্ছেদ কার্যকর করা সম্ভব। ইইউর সঙ্গে করা ব্রেক্সিট চুক্তির খসড়াটি আগামী সপ্তাহে আবার সংসদে উত্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট বলছে, চুক্তিটি পাস করার জন্য প্রয়োজনীয় ভোট তারা পাবেনই।

শনিবার সংসদের বিশেষ অধিবেশনে ব্রেক্সিট পেছানোর জন্য বেশিরভাগ সংসদ সদস্য (এমপি) ভোট দিয়েছেন। ৩২২-৩০৬ ভোটে জেতা ওই ভোটের মানে, ইইউকে বিচ্ছেদের দিন পেছানোর আহ্বান জানাতে জনসন আইনগত বাধ্য।

বিবিসি জানিয়েছে, এরই মধ্যে জনসন ইইউকে সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন। তবে ওই চিঠিতে তিনি সই করেননি। পাশাপাশি তিনি আরেকটি চিঠি দিয়েছেন ইইউকে। এতে অবশ্য তিনি সই করেছেন। দ্বিতীয় চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, ব্রেক্সিট পেছানো হবে ‘বড় ভুল’।

সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ কেন : ব্রেক্সিট বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে একটি যুতসই এবং সংখ্যাগুরুর মনঃপুত একটি চুক্তি, যে চুক্তি হাজির করতে না পেরে পদত্যাগ করেছিলেন তেরেসা মে। জনসন সরকার গত সপ্তাহে ইইউর সঙ্গে একটি নতুন চুক্তিতে পৌঁছে। সেটি শনিবার অধিবেশনে পাসের জন্য তুলেছিল সরকার। কিন্তু চুক্তিটি অনুমোদন দিতে দেরি করার জন্য ভোট দেন বেশিরভাগ এমপি।

যেন কোনো মতেই বিনাচুক্তির ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন না হয়, তা গত মাসের বেন অ্যাক্ট পাসে নিশ্চিত হয়েছে। ফলে শনিবারের ভোটে হেরে জনসন বাধ্য হয়েই ব্রেক্সিট পেছানোর আহ্বান জানিয়েছেন; কিন্তু নিজের সই ছাড়া।

সরকারে কী প্রতিক্রিয়া : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোমিনিক রাব বিবিসিকে বলেছেন, আগামী সপ্তাহে নতুন চুক্তিটি উত্থাপন করা হলে তা পাসের পক্ষে দরকারি সংখ্যক এমপির ভোট সরকার পাবেই। তিনি বলেন, ইইউতে অনেক লোকই আছেন, যারা ব্রেক্সিট পেছানো হলে ‘খুব অস্বস্তি বোধ করবেন’।

বিবিসি বলছে, আজ সোমবার অধিবেশনে সরকার চাইবে চুক্তিটি আইন আকারে পাস করার জন্য দুই অপশনের (হয় অনুমোদন, না হয় বাতিল) ভোটাভুটি চাইবে জনসনশিবির।

২০১৬ সালের জুনে এক গণভোটে ৫১.৯ শতাংশ ব্রিটিশ ইইউ থেকে বিচ্ছেদ নেওয়ার রায় দেয়। এর পরই ব্রেক্সিটবিরোধী তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন পদত্যাগ করেন। পরে দায়িত্ব নেন তেরেসা মে। তিন বছর ধরে তিনি চেষ্টা করেছেন; কিন্তু এমপিদের বাধায় ব্রেক্সিট বাস্তবায়নে বারবার ব্যর্থ হয়ে মে-ও পদত্যাগে বাধ্য হন। এর পর কনজারভেটির পার্টির প্রধান এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন বরিস জনসন।

advertisement