advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সংবাদপত্রের প্রথম পাতার লেখা মুছে বিরল প্রতিবাদ

অনলাইন ডেস্ক
২১ অক্টোবর ২০১৯ ২১:০৫ | আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০১৯ ২১:০৫
ছবি : রয়টার্স
advertisement

সংবাদমাধ্যমের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করে সরকারি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টার প্রতিবাদে এক অভিনব কৌশল বেছে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার পত্রিকাগুলো। আজ সোমবার দেশটির সংবাদপত্রগুলো তাদের প্রথম পাতার লেখা কালিতে মুছে বিরল এ প্রতিবাদ জানায়।

শুধু তাই নয়, লেখা মোছার পাশপাশি, ‘সিক্রেট’ লেখা লাল সিল মেরে প্রকাশ করে পত্রিকাগুলো।

অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা আইনের বিরুদ্ধেই সাংবাদিকদের এ প্রতিবাদ। সাংবাদিকরা বলছেন, এ আইনের মাধ্যমে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ায় গোপনীয়তার সংস্কৃতি চালু করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এর আগে গত জুনে অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং করপোরেশনের (এবিসি) কার্যালয়ে এবং ‘নিউজ কর্প অস্ট্রেলিয়া’র এক সাংবাদিকের বাড়িতে অভিযান চালায় দেশটির পুলিশ। তা নিয়ে তীব্র সমালোচনাও হয়।

অভিনব প্রতিবাদ জানানো ওই গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, সরকারের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে লেখা প্রতিবেদনের কারণে ওই পুলিশি অভিযান চালানো হয়েছে। তথ্যগুলোর মধ্যে একটি ছিল দেশটির যুদ্ধাপরাধের অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ। আরেকটি ছিল অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের ওপর সরকারি সংস্থার গুপ্তচরবৃত্তির চেষ্টার অভিযোগ সংক্রান্ত নথি।

সরকারের এ গোপনীয়তার বিরুদ্ধে ‘রাইট টু নো কোয়ালিশন’ এর ব্যানারে সংবাদপত্রগুলোর সোমবারের প্রতিবাদে সমর্থন জানিয়েছে বেশ কয়েকটি টেলিভিশন, রেডিও চ্যানেল এবং অনলাইন সংবাদমাধ্যম।

নিউজ কর্প অস্ট্রেলিয়ার নির্বাহী চেয়ারম্যান মাইকেল মিলার পত্রিকাগুলোর কালিতে মোছা প্রথম পাতার ছবি টুইটারে প্রকাশ করে জনগণকে সরকারের কাছে একটি প্রশ্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন। আর তা হচ্ছে, ‘তারা আমার কাছ থেকে কী লুকানোর চেষ্টা করছে?’

এ কোম্পানির প্রধান প্রতিপক্ষ সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানগুলোও একই ধরনের প্রথম পাতা প্রকাশ করেছে। অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং করপোরেশনের (এবিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডেভিড অ্যান্ডারসন বলেছেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে গোপনীয়তাপূর্ণ গণতন্ত্রের দেশ হওয়ার ঝুঁকিতে আছে অস্ট্রেলিয়া।’

এদিকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। তবে আইনের শাসন ধরে রাখতে হবে। সেটি আমার বা কোনো সাংবাদিক বা যে কারও ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।’

advertisement