advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সরকারি চাকুরেকে গ্রেপ্তারে অনুমোদনকেন অবৈধ নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০১৯ ০০:১৯
advertisement

কোনো সরকারি চাকুরেকে ফৌজদারি মামলায় গ্রেপ্তারে পূর্বানুমতি নেওয়ার বিধান কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে গতকাল সোমবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খোন্দকার মো. দিলীরুজ্জামানের বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

রুলে ওই বিধান সংবলিত সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪১ (১) ধারা কেন বেআইনি ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না এবং সংবিধানের ২৬ (১) (২), ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। চার সপ্তাহের মধ্যে

জাতীয় সংসদের স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন সচিব ও আইন সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। রিটটি করেন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের

পক্ষে আইনজীবী সরোয়ার আহাদ চৌধুরী, একলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া ও মাহবুবুল ইসলাম। আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রিপন বাড়ৈ ও সঞ্জয় ম-ল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুদ্দিন খালেদ।

২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর সরকারি চাকরি আইনের গেজেট জারি হয়; যা গত ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়। আইনের ৪১ (১) ধারায় বলা হয়েছে, ‘কোনো সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনের সহিত সম্পর্কিত অভিযোগে দায়েরকৃত ফৌজদারি মামলায় আদালত কর্তৃক অভিযোগপত্র গৃহীত হইবার পূর্বে তাহাকে গ্রেফতার করিতে হইলে, সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি গ্রহণ করিতে হইবে।’

শুনানির পর অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, সরকারি চাকরি আইনে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৪ অক্টোবর জনস্বার্থে রিটটি করা হয়। তিনি আরও বলেন, একই ধরনের সুযোগ দিয়ে ২০১৩ সালে দুদক আইনের ৩২ (ক) ধারা প্রণয়ন করা হয়েছিল। জনস্বার্থে রিট করলে আদালত ওই আইনটিকে বৈষম্যমূলক বলে বাতিল ঘোষণা করেন। সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীদের একই সুযোগ দিয়ে ২০১৮ সালে প্রণীত সরকারি চাকরি আইনের ৪১ (১) ধারাটি আদালতের ওই রায়ের পরিপন্থী।

advertisement