advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বাংলালিংক ইনোভেটর্সের তৃতীয় আসরে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩ নভেম্বর ২০১৯ ১৩:২১ | আপডেট: ৩ নভেম্বর ২০১৯ ১৩:২২
বিজয়ীদের সঙ্গে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী। ছবি : আমাদের সময়
advertisement

উদ্ভাবনী তরুণদের জন্য আয়োজিত ডিজিটাল ব্যবসায়িক পরিকল্পনার প্রতিযোগিতা বাংলালিংক ইনোভেটার্সের তৃতীয় আসরের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশের অন্যতম ডিজিটাল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বাংলালিংক উদ্ভাবনী তরুণদের নতুন পরিকল্পনা, নতুন উদ্যোগ ও নতুন সৃষ্টিতে উৎসাহ দিতে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে।

গতকাল শনিবার রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত বাংলালিংক ইনোভেটর্সের গ্র্যান্ড ফিনালেতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলালিংকের অ্যাক্টিং সিইও ও চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান, চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অফিসার মনজুলা মোরশেদ ও প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের অন্যান্য সদস্যরা।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ১৭ হাজার প্রতিযোগী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। কয়েকটি ধাপযুক্ত বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সবচেয়ে উদ্ভাবনী প্রতিযোগীদের বেছে নেওয়া হয়। বাছাইকৃত প্রতিযোগীরা নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য গ্রুমিং সেশনে বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে প্রশিক্ষণের সুযোগ পায়। এই প্রতিযোগীদের নিয়ে গঠিত মোট পাঁচটি দল গ্র্যান্ড ফিনালেতে তাদের ডিজিটাল ব্যবসায়িক পরিকল্পনা উপস্থাপন করে। উপস্থাপিত পরিকল্পনাগুলি মূল্যায়ন করে সেরা তিনটি দলকে নির্বাচিত করে বাংলালিংকের জুরি প্যানেল।

তাৎক্ষণিকভাবে যানবাহনের সার্বিক অবস্থা মনিটর করার ডিজিটাল পরিকল্পনা উপস্থাপন করে বিজয়ী হয় টিম সিলভার লাইনিং। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করে টিম লাস্ট মিনিট ও টিম থ্রি অ্যান্ড অ্যা হাফ মেন। দল দুইটি সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত দ্রব্য যাচাই ব্যবস্থার ওপর তাদের ডিজিটাল পরিকল্পনা উপস্থাপন করে।

বিজয়ী দল পাবে অ্যামস্টার্ডামে অবস্থিত বাংলালিংকের স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান ভিওনের প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন ও প্রতিষ্ঠানটির  ‘স্ট্র্যাটেজিক অ্যাসিস্টেন্ট প্রোগ্রাম’ র অ্যাসেসমেন্ট সেন্টার”-এ যোগদানের সুযোগ। প্রথম ও দ্বিতীয় রানার আপ দলও এই প্রোগ্রামে যোগদানের সুযোগসহ পাবে আকর্ষণীয় পুরস্কার। এছাড়া সেরা ৫ দলের প্রত্যেক সদস্য বাংলালিংকের ‘অ্যাডভান্সড ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামে (এআইপি)’  সরাসরি যোগদান করার পাশাপাশি ‘লার্ন ফ্রম স্ট্রার্টআপস’ ও ‘ক্যাম্পাস টু করপোরেট প্রোগ্রামসে’ অংশগ্রহণ করতে পারবে।

বাংলালিংকের অ্যাক্টিং সিইও ও চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, ‘টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে ডিজিটাল উদ্ভাবনকে এখন সারা বিশ্বে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হচ্ছে। আমরা যদি এই তরুণদের প্রাথমিক পর্যায় থেকেই উদ্ভাবনী হতে উৎসাহ দিতে পারি, তাহলে উদ্ভাবনী উপায়ে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে দেশেকে এগিয়ে নিতে তারা আরও বেশি সমর্থ হয়ে উঠবে। বাংলালিংক তরুণদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে ভবিষ্যতেও তাদের ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখবে।’

এই গ্র্যান্ড ফিনালের মাধ্যমে বাংলালিংক ইনোভেটর্সের তৃতীয় আসরের সমাপ্তি ঘটেছে। ২০১৭ সালে প্রথম বারের মতো এই উদ্যোগ গ্রহণ করে বাংলালিংক।

advertisement