advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

অস্ত্রের মুখে ‘কুমারিত্ব’ হারিয়ে আদালতের দ্বারস্থ দুই মুসলিম তরুণী

অনলাইন ডেস্ক
৬ নভেম্বর ২০১৯ ০৬:১৪ | আপডেট: ৬ নভেম্বর ২০১৯ ০৬:১৭
প্রতীকী ছবি
advertisement

নাইজেরিয়ার লাগোস স্টেট ইউনিভার্সিটির (এলএএসইউ) কয়েকজন ছাত্রের বিরুদ্ধে একই প্রতিষ্ঠানের দুজন মুসলিম নারী শিক্ষার্থীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার আদালতে নিজেদের জবানবন্দিতে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, ধর্ষণের ফলে তারা কুমারিত্ব হারিয়েছেন। এর বিচার চান তারা।

ডেইলি পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিজাব পরিহিত ওই দুই নারী শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাই অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধর্ষণ করেছেন। আগামি ২৫ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন টিক করা হয়েছে। 

ভুক্তভোগী দুজন শিক্ষার্থী জানান, ২০১৮ সালের ১৮ এপ্রিল অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়ে তাদের জিম্মি করে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আফিজ ওগুনবোয়েলেকে চিহ্নিত করেছেন তারা।সেই সঙ্গে আরও চারজনকে অভিযুক্ত করেছেন।

ঘটনার দিন রাত ৩টার দিকে তাদের ভবনে ঢুকে পড়েন অভিযুক্তরা। এরপর একজন বলেন, আমি এই ছাত্রীদের সঙ্গেই সারা রাত থাকতে চায়। অন্যরা যেন তাকে পাহারা দেন, সে কথাও জানিয়ে দেন তিনি।

একজন ছাত্রী জানান, আমি ঘরের মধ্যেই ছিলাম। তারা আমার ঘরে আসার পর ধর্ষণ করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু আমি তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করি। ওই সময় একজন আমাকে অস্ত্র দেখিয়ে বলে, হয় তাদের কথা মানতে হবে, অন্যথায় মরতে হবে। এরপর তারা একের পর এক আমাকে ধর্ষণ করে। আর আমার রুমমেট ছিল টয়লেটে। সেখানে তাকেও ওরা ধর্ষণ করেছে।

আরেক ছাত্রী বলেন, আমি টয়লেটে ছিলাম। তাদের একজন এসে আমাকে টেনে বের করে চেয়ারে বসায়। প্রথমে আমাকে স্পর্শই করে অস্ত্র ঠেকিয়ে। এরপর তারা আমাকে প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে। প্রথমে একজন ধর্ষণ করলেও আমার রুমমেটকে ধর্ষণ করে এসে একে একে তারা আমাকেও ধর্ষণ করে।

দুই ছাত্রীই বলেন, এরপর তারা পুলিশের কাছে অভিযোগ করলে শারীরিক পরীক্ষা করানো হয়। পরে দীর্ঘ সময় ধরে তাদের কাউন্সেলিংও দেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী একজন বলেন, ধর্ষণকারীদের একজন আমার সহপাঠী। সে আমাকে ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিক্যুয়েস্ট পাঠিয়েছে। পরে তার বন্ধু তালিকায় ঢুকে দেখি আমাদের ধর্ষণকারীরা তার বন্ধু। এরপর পুলিশকে তাদের ছবি দেখাতে পারি।

advertisement