advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নির্যাতিতা সুমিকে দেশে ফেরাতে প্রয়োজন ৫ লাখ টাকা

কামাল পারভেজ অভি,সৌদি আরব
৭ নভেম্বর ২০১৯ ১৬:৫৭ | আপডেট: ৭ নভেম্বর ২০১৯ ১৬:৫৭
সুমি আক্তার
advertisement

সৌদি আরবে নির্যাতিতা গৃহকর্মী সুমি আক্তারকে (২৬)দেশে ফেরাতে তার কফিলকে (নিয়োগকর্তা) ২২ হাজার রিয়াল পরিশোধ করতে হবে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক পাঁচ লাখ টাকার মতো।

এই টাকা দেওয়ার জন্য সুমির নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান রূপসী বাংলা ওভারসিসকে পরিশোধ এবং সুমিকে দেশে ফেরার জন্য বিমানভাড়া দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল।

চিঠিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল লিখেছে, ২২ হাজার সৌদি রিয়াল সুমির নিয়োগকর্তাকে (কফিল) দিলে তার কাছ থেকে ছাড়া পাবেন সুমি। এ ছাড়া তার নিয়োগকর্তা তাকে ছাড়তে অপারগতা প্রকাশ করেছেন।

সুমির নিয়োগকর্তার দাবি, সুমিকে সৌদি নিতে তার প্রায় তিন লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে, যা তিনি সেবার মাধ্যমে শোধ করেননি।

অর্থাৎ সুমিকে নিয়ে যাওয়া রূপসী বাংলা ওভারসিজের কাছ থেকে অর্থ আদায় করে দিলেই তাকে ছাড়বেন সৌদির সেই কফিল।

এর আগে গত সোমবার সুমিকে তার নিয়োগকর্তার বাড়ি জেদ্দার দক্ষিণে নাজরান শহর থেকে উদ্ধার করে সৌদি পুলিশ। সেখান থেকে উদ্ধার করে বর্তমানে সুমিকে একটি সেফ হোমে রাখা হয়েছে।

এদিকে, সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন এই নির্যাতিতা। তবে সুমিকে দেশে ফেরত পাঠাতে হলে এর বাইরে কোনো প্রক্রিয়া দেখছে না কনস্যুলেট।

কারণ কফিল বা নিয়োগকর্তা ফাইনাল এক্সিট প্রদান না করলে কোনো প্রবাসী সৌদি আরব ত্যাগ করতে পারেন না। এটাই সৌদি আরবের প্রচলিত আইন।

গত দুই সপ্তাহ আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সুমি আক্তাদের কান্নাজড়িত একটি ভিডিও প্রকাশ পায়।  সেখানে সুমি গৃহকর্মীর দ্বারা নির্যাতিত হচ্ছেন বলে আকুতি জানান, একই সঙ্গে তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এর পর সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়।  সুমিকে নিয়ে দৈনিক আমাদের সময়সহ বিভিন্ন গণমাধ্যম সংবাদ প্রকাশ করে।

এরপর ভিডিও সূত্র ধরে সুমিকে উদ্ধারে তৎপর হয় দেশটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের মাধ্যমে সৌদি পুলিশের সহায়তায় নাজরানে ওই গৃহকর্তার বাসা থেকে সুমিকে উদ্ধার করা হয়।  নিয়োগকর্তার বাড়ি থেকে সুমিকে উদ্ধার করে বর্তমানে একটি সেফহোমে রাখা হয়েছে।  

advertisement