advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে ব্যর্থ বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:১১
advertisement

দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে বিএনপি ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির নেতারা। তারা বলেন, আদালতের ওপর রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে খালেদা জিয়ার জামিনের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি। এই সরকার ক্ষমতায় থাকতে সম্ভবও হবে না। এ অবস্থায় আন্দোলন ছাড়া কোনো উপায় নেই।

গতকাল শুক্রবার বিকালে মহানগর নাট্যমঞ্চে ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে

এক আলোচনাসভায় নেতারা এসব কথা বলেন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী ও সহপ্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিমের পরিচালনায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল, ঢাকা মহানগর উত্তরের বজলুল বাছিত আনজু, স্বেচ্ছাসেবক দলের শফিউল বারী বাবু, যুবদলের সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, শ্রমিক দলের আনোয়ার হোসেইন, মহিলা দলের হেলেন জেরিন খান প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার নিজেদের দুর্নীতি এমন পর্যায়ে নিয়ে গেছে যে, তাদের চুনোপুঁটিগুলো ধরতে হচ্ছে। এই চুনোপুঁটি ধরে আর ক্যাসিনো গল্প সাজিয়ে মূল দুর্নীতি থেকে আপনি (প্রধানমন্ত্রী) জনগণের দৃষ্টি আড়াল করতে পারবেন না।

তিনি আরও বলেন, যারা গণতন্ত্র, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে, বাংলাদেশকে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দেখতে চান, তারা অবশ্যই ৭ নভেম্বরকে বিশ্বাস করেন এবং ধারণ করেন।

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, সেই ৭ নভেম্বর দেশের যে অবস্থা হয়েছিল, আওয়ামী লীগের গায়ের জোরের শাসনের কারণে বাংলাদেশে আজকে ঠিক একই অবস্থা বিরাজ করছে। মওদুদ আহমদ বলেন, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আমরা মুক্ত করতে পারিনি, ব্যর্থ হয়েছি। এক বছর ৯ মাস হয়ে গেছে তিনি কারাগারে। আদালতের ওপর রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে তার জামিনের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি। হয়তো জামিন হবে না। গয়েশ্বরচন্দ্র রায় বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য, সম্পদ রক্ষার চেষ্টা করা যাবে না। যারা যেতে চান, তারা যাক। তাদের নিয়ে চিন্তার দরকার নেই। কিন্তু আমরা যারা আছি, তাদের মধ্যে কোনো মোনাফিকের ভাব আছে কিনা, আমরা সঠিকভাবে রাজপথে নামতে চাই কিনা আগে দেখে আন্দোলনের ডাক দিন।

বিএনপির সংসদ সদস্য হারুন-উর রশিদের সাজার পর জামিনে মুক্তির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমাদের একজন সহকর্মীর পাঁচ বছর জেল হলো, তিনি সাত দিনের মাথায় জামিন নিয়ে বের হলেন। আর আমার নেত্রীর যখন পাঁচ বছর জেল হয়, তখন দুই মাসে নকল কপি পাওয়া যায় না।

advertisement