advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শিক্ষা-স্বাস্থ্য ও বাণিজ্যে বিনিময় চান মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ
৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:১১
advertisement

বাংলাদেশের সঙ্গে শিক্ষা-স্বাস্থ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন-সংস্কৃতিসহ নানা বিষয়ের বিনিময় আরও বাড়াতে চান ভারতের মেঘালয় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড কনভ্যাল সাংমা। গতকাল শুক্রবার বিকালে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (এমসিসি) শাহাবউদ্দিন হলরুমে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। মেয়র ইকরামূল হক টিটুর আমন্ত্রণে ময়মনসিংহে আসেন প্রতিবেশী রাজ্যের এই মুখ্যমন্ত্রী। দুদেশের সীমান্ত পথ বেয়ে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার সরেজমিন ঘুরে বিচিত্র অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন কনরাড কনভ্যাল সাংমা।

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনে পৌঁছলে মেঘালয় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে লালগালিচা সংবর্ধনা ও ফুলেল শুভেচ্ছায় অভিবাদন জানান মেয়র ইকরামূল হক টিটু। এ সময় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন সিটি করপোরেশন সম্পর্কে বিস্তরিত তুলে ধরেন। এর পর ময়মনসিংহের ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, পেশাজীবী, নারী উদ্যোক্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এ অতিথি। এতে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক একেএম গালিভ খান, অতিরিক্ত

পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবীর, প্রেসক্লাব ময়মনসিংহের সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম খান, শাশ্বত বাংলার নির্বাহী সম্পাদক প্রদীপ ভৌমিক, ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইমলাম, নারী উদ্যোক্ত সৈয়দা সেলিমা আজাদ প্রমুখ। বাংলাদেশের মানুষের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা ও আতিথেয়তায় মুগ্ধ কনরাড কনভ্যাল সাংমা। এ সফর তিনি আজীবন মনে রাখবেন বলে জানান। তার সঙ্গে ছিলেন মেঘালয়ের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি ড. শাকিল আহমদসহ ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনের কর্তকর্তারা।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। বিগত কয়েক বছরে শিল্প, বাণিজ্য, সামাজিক, অর্থনৈতিকসহ সব ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে আমরা শিক্ষা-স্বাস্থ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন-সংস্কৃতিসহ নানা বিষয়ে বিনিময় আরও বাড়াতে চাই। দুদেশের মাঝে পারস্পরিক সৌহার্দ, যোগাযোগ, সম্পর্ক ও বন্ধুত্বকে আরও বৃদ্ধি করতে চাই। আমাদের মাঝে অনেক অমিত সম্ভাবনার দুয়ার হাতছানি দিয়ে ডাকছে। তবে যেসব ছোটখাটো সমস্যা রয়েছে, তা দূর করতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে অনুরোধ জানাব।’

সিমেন্ট, প্লাস্টিক ও মেলামাইন সমগ্রী, সিরামিক টাইলস, সিনথেটিক নিটেড ফ্যাব্রিক্স, পোল্ট্রি, ডেইরি, শুকনা মাছ, গার্মেন্টস, কসমেটিক, মশারিসহ আরও নানা পণ্য রপ্তনির সম্ভাবনা রয়েছে মেঘালয়ে। বাংলাদেশও ফলসহ নানা পণ্য আমদানি করতে পারে প্রতিবেশী রাজ্যটি থেকে। এসব পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে দুদেশের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের ব্যাপারে কাজ করবেন বলে জানায় মেঘালয়ের প্রতিনিধি দল। তবে এ ক্ষেত্রে হালুয়াঘাটের কড়উতলী-গোবড়াকুড়া এবং নালিতাবাড়ির নাকুগাঁও স্থলবন্দরটি পূর্ণাঙ্গ বন্দরের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং দুটি স্থলবন্দরের যোগাযোগের জন্য উভয় দেশের সংযোগ সড়ক প্রশস্ত করা প্রয়োজন।

advertisement