advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ঝিনাই, বংশী ও বানার নদী খনন

মো. নজরুল ইসলাম ময়মনসিংহ
৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:১২
advertisement

এককালের খর¯্রােতা দীর্ঘতম নদ পুরনো ব্রহ্মপুত্র খননের পাশাপাশি আরও প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ব্রহ্মপুত্রের শাখা ঝিনাই, বংশী ও বানার নদী খননের প্রকল্প তৈরি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পটির প্রি-একনেক সম্পন্ন হয়েছে। একনেকে পাস হলেই শুরু হবে এই তিন নদী খননের কাজ। এদিকে ব্রহ্মপুত্র নদের ৯০ কিলোমিটার খননকাজে ২৩টি ড্রেজার দিয়ে দিনরাত ড্রেজিং চলছে। এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও পুরনো ব্রহ্মপুত্র ড্রেজিং প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক রকিবুল ইসলাম তালুকদার। গত ২৮ অক্টোবর ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে চলমান ব্রহ্মপুত্র নদ খনন সংক্রান্ত এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ব্রহ্মপুত্র নদ খননের পাশাপাশি ময়মনসিংহবাসীর চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে একটি নৌবন্দর স্থাপন, মাছের অভয়ারণ্য সৃষ্টি ও নদের দুইধারে পরিকল্পিত বনায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হবে। মানসম্মতভাবে নদ খননে তিনি সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রকৌশলী রকিবুল ইসলাম তালুকদার জানান, ব্রহ্মপুত্র নদ খননের পাশাপাশি সিএস, আরওআর এবং আরএস পর্যালোচনা করে ব্রহ্মপুত্র নদের সীমানা চিহ্নিত ও পিলার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সীমানা নির্ধারণের পর অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। তিনি জানান, পুরনো ব্রহ্মপুত্র নদের নাব্য ফিরিয়ে আনতে দুই হাজার ৭৬৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে যমুনা-ব্রহ্মপুত্রের সংযোগস্থল জামালপুরের কুলকান্দি থেকে গাজীপুরের কাপাশিয়ার টোক পর্যন্ত ২২৭ কিলোমিটার নদের ময়মনসিংহ অংশের ৯০ কিলোমিটার খননের কাজ চলছে। এরই মধ্যে জামালপুর অংশের খননকাজের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আগামী মাসে দাখিলকৃত দরপত্রগুলোর মূল্যায়ন করা হবে।

advertisement