advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সবজি-ইলিশের কমলেও দাম বেড়েছে আলুর

নিজস্ব প্রতিবেদক
৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:১২
advertisement

বাজারে আগাম শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়ায় এবং সব ধরনের সবজির উপস্থিতি থাকায় দামও কমতে শুরু করেছে। পাশাপাশি ইলিশসহ মাছের দামও নিম্নমুখী। সপ্তাহের ব্যবধানে সবজিভেদে ৫-১০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। তবে বাজারে নতুন আলু আসতে শুরু করলেও দুই সপ্তাহের ব্যবধানে আলুর দাম বেড়েছে ৫ টাকা। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর মালিবাগ, ফকিরাপুল ও কারওয়ানবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

গেল সপ্তাহের তুলনায় সব ধরনের সবজির দাম কমেছে। গতকাল কেজিতে ৫-১০ টাকা কমে শিম বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকায়। গাজর ৫০-৬০ টাকা, করলা ৪০-৪৫, শসা ৩০-৪০, বেগুন ৩০-৫০, পেঁপে ১৫-২৫, পটোল ৩০-৪০, ঝিঙা ৩০-৪০, কাঁকরোল ৪০-৫০, কচুরলতি ৪০-৫০ এবং কাঁচামরিচ ৫০-৬০ টাকা কেজিপ্রতি বিক্রি হয়েছে।

অন্যদিকে সব ধরনের কপির দামও কমেছে। ১০ টাকা কমে মাঝারি আকারের বাঁধাকপি বিক্রি হয়েছে ২০-৩০ ও ফুলকপি ১৫-২৫ টাকায়। এ ছাড়া লাউ ৩০-৪০ ও জালি কুমড়া ২০-৩০ টাকায় বিক্রি হয়। তবে এখনো বাড়তি রয়েছে টমেটোর দাম। গত সপ্তাহের মতো এ সপ্তাহেও টমেটো মানভেদে ১০০-১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে প্রতিআঁটি লালশাক ৭-১০ টাকা, মুলাশাক ৮-১২, পালংশাক ১৫-২০, কুমড়াশাক ২০-২৫ টাকা এবং লাউশাক ২৫-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মালিবাগ বাজারের সবজি বিক্রেতা মোহাম্মদ রাসেল বলেন, গত সপ্তাহের মাঝামাঝি সময় থেকে বাজারে শীতের প্রায় সব ধরনের শাকসবজির সরবরাহ বেড়েছে। শীতের মৌসুমি সবজি পুরোদমে উঠলে পরে সবজির দাম আরও কমে যাবে।

ইলিশের বাজারেও দাম কমেছে। ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগে যে ইলিশের দাম ছিল ১৫০০-১৬০০ টাকা, এখন তা পাওয়া যাচ্ছে ৬০০-৭০০ টাকার মধ্যে। একই সঙ্গে ছোট ইলিশেরও দাম কমেছে। বর্তমানে ইলিশ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৭০০ টাকায়। এক কেজির একটু বড় ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০-৮৫০ টাকায়।

ইলিশের আড়তদাররা জানান, ৩০ অক্টোবরের মধ্যরাত থেকে পুনরায় ইলিশ ধরা শুরু হলে জেলেদের জালে ভরপুর ইলিশ ধরা পড়ে। ফলে দামও কিছুটা কম। তবে বর্তমানে ইলিশ কম ধরা পড়ছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। তাই আগামীতে দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বাজারে অন্যান্য মাছের দাম কেজিতে ১০-৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে বলে জানান মাছ ব্যবসায়ীরা। গতকাল শিং ৩০০-৫৫০ টাকা, পাবদা ৩০০-৪০০, বাগদা ৪৫০-৭০০, রুই ২৫০-৩৫০, পাঙ্গাশ ১২০-১৩০, তেলাপিয়া ১৩০-১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

এদিকে বাজারে নতুন আলু উঠলেও দাম বেশ চড়া। ১২০-১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে নতুন আলু। অন্যদিকে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে পুরনো আলুর দাম ৫ টাকা বেড়েছে। বাজারে একটু ভালোমানের আলু (ডায়মন্ড আলু) বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা কেজি দরে। পাল্লা (কেজি) ১২০ টাকা। পনেরো দিন আগে খুচরাবাজারে আলুর কেজি ছিল ১৭-২০ টাকা এবং পাল্লা ১০০ টাকা।

কারওয়ানবাজারের ব্যবসায়ী জুয়েল মিয়া বলেন, ডায়মন্ড আলুর বস্তা (৫৬ কেজি) এখন ১২০০ টাকায় কিনতে হয়, দুই-তিন সপ্তাহ আগেও যা ছিল ৯০০ থেকে এক হাজার টাকা। নতুন আলুর সরবরাহ কম থাকায় দামও কমছে না। তবে শিগরিরই নতুন আলুর সরবরাহ বাড়বে। সব আলুর দামই কমে যাবে।

advertisement