advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ইমরান কি পদত্যাগে বাধ্য হচ্ছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ৯ নভেম্বর ২০১৯ ১৪:১৪
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান
advertisement

এক দফা এক দাবি, ইমরান ছাড় গদি-ঠিক এরকম লক্ষ্য নিয়ে পাকিস্তানে ব্যাপক বিক্ষোভ করছেন বিরোধী দলের নেতারা। ডানপন্থি জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ফজলের (জুই-এফ) নেতা মাওলানা ফজলুর রেহমান ‘আজাদি মার্চ’ নামের এই বিশাল সমাবেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তার মন্ত্রিসভা পদত্যাগ করলেই কেবল আন্দোলন থামবে। এ ছাড়া তিনি তিন মাসের মধ্যেই নতুন নির্বাচন দাবি করেছেন।

ডন জানিয়েছে, গতকালও ইসলামাবাদে সমাবেশে জুই-এফের নেতাকর্মীরা সমবেত হয়েছিলেন। তাদের সঙ্গে সমঝোতার জন্য সরকারের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ওই কমিটির কাছে প্রশ্ন তুলেছেন, ‘যদি আমার পদত্যাগই একমাত্র চাওয়া হয়, তা হলে ওদের সঙ্গে কথা বলেই বা কী হবে?’

ইমরান বলেছেন, তিনি ‘উদার মনে’ এ রকম একটি বিরোধী সমাবেশের অনুমতি দিয়েছিলেন। ২০১৮ সালের জুলাইয়ে নির্বাচনকে ঘিরে ভোট কারচুপির যে অভিযোগ, সবই তিনি রাজনৈতিকভাবে সমাধানের জন্য প্রস্তুত ছিলেন এবং এখনো আছেন।

মাওলানা ফজলের দাবি, সাধারণ নির্বাচনে জালিয়াতি করে ক্ষমতায় এসেছে ইমরানের দল। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে আসার কোনো দরকার নেই। যখন আপনারা আমাদের কাছে আসবেন তখন অবশ্যই ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়ার উদ্দেশ্য নিয়েই আসতে হবে। আপনারা একেবারে শেষ সীমানায় পৌঁছে গেছেন। এখন আপনাদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, আপনারা ক্ষমতায় থাকবেন নাকি সাধারণ জনগণকে তাদের অধিকার ফিরিয়ে দেবেন।

পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতা ফারহাতুল্লাহ বাবর বলেছেন, বিরোধীরা সরকারকে চাপে রেখেছে। আর এ আজাদি মার্চ হচ্ছে প্রথম পদক্ষেপ।

পাকিস্তান মুসলিম লীগ নওয়াজ (পিএমএল-এন) এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) এই আজাদি মার্চের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। ইসলামাবাদের এ সরকারবিরোধী সমাবেশ সরকারকে বেশ চাপের মধ্যেই রেখেছে।

advertisement