advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মাঠের লড়াই শুরু আজ

ক্রীড়া প্রতিবেদক
৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:১৩
advertisement

সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। প্রস্তুত মিরপুরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামও। এই ভেন্যুতেই আজ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে পাঁচ দেশের অংশগ্রহণে বঙ্গমাতা এশিয়ান সিনিয়র সেন্ট্রাল জোন ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০১৯ টুর্নামেন্ট। প্রথম বারের মতো নারী ভলিবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ। এ টুর্নামেন্টের জন্য তিন মাস ধরে প্রশিক্ষণের মধ্যে ছিল বাংলাদেশ নারী ভলিবল দল। বাংলাদেশের নারী ভলিবল দল কোন্ পর্যায়ে রয়েছেÑ এ টুর্নামেন্টে তা যাছাই করে নেওয়ার লক্ষ্য ফেডারেশনের। টুর্নামেন্টে মেয়েরা ভালো কিছুই উপহার দেবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

মিরপুরে দুপুর তিনটায় বঙ্গমাতা আন্তর্জাতিক নারী ভলিবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, এমপি। এছাড়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন সাংগঠনিক কমিটির চেয়ারম্যান ও বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান ও ইউনুস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইউনুস, ফেডারেশনের সভাপতি ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মিকু ও যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বি বাবুলসহ অন্য কর্মকর্তারা। ভলিবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মিকু জানান, ২০১৩ সাল পর্যন্ত নারী ভলিবল খেলোয়াড়দের কার্যক্রম ঠিকমতোই ছিল। কিন্তু এর পরবর্তী সময়ে নানা কারণে নারী ভলিবল নিয়ে কাজ করা হয়নি। ২০১৭ সাল থেকে নিয়মিত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এজন্য সিআইডি পুলিশের কর্মকর্তা সৈয়দা জান্নাত আরাকে চেয়ারম্যান করে একটি শক্তিশালী নারী ভলিবল উইং গঠন করা হয়েছে। আবারও এগিয়ে যাচ্ছে নারী ভলিবল। দলটি মোটামুটি পারফরম্যান্স উপহার দিতে পারলেই খুশি ফেডারেশন।

বিকাল চারটায় বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু হবে। আগামীকাল দুপুর একটায় আফগানিস্তান-নেপাল এবং দুপুর তিনটায় বাংলাদেশ-মালদ্বীপ খেলবে। ১১ নভেম্বর দুপুর ১টায় কিরগিজস্তান-নেপাল এবং দুপুর তিনটায় আফগানিস্তান-মালদ্বীপ পরস্পরের বিপক্ষে খেলবে। ১২ নভেম্বর দুপুর একটায় আফগানিস্তান-কিরগিজস্তান এবং দুপুর তিনটায় বাংলাদেশ-নেপালের ম্যাচ রয়েছে। ১৩ নভেম্বর দুপুর একটায় মালদ্বীপ-নেপাল এবং দুপুর তিনটায় বাংলাদেশ-কিরগিজস্তান খেলবে। ১৪ নভেম্বর তৃতীয় ও চতুর্থ স্থান নির্ধারণী ম্যাচ রয়েছে। একই দিন দুপুর তিনটায় রয়েছে ফাইনাল ম্যাচ।

সংখ্যায় সংখ্যায় ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ

২৪১/৩ : নেপিয়ারে ইংল্যান্ড টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এক ইনিংসে ৩ উইকেটে ২৪১ রান তুলে নেয়। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে ইংল্যান্ডের দলীয় সর্বোচ্চ ইনিংস এটি। এর আগে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ রানের স্কোর ছিল ২৩০। ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেবার ইংল্যান্ড দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে রান তাড়া করেছিল। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বোচ্চ সংগ্রহ আফগানিস্তানের। তারা ৩ উইকেটে ২৭৮ রান করেছিল ২০১৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি। আর প্রতিপক্ষ ছিল আয়ারল্যান্ড।

১৮২ : ডেভিড মালান ও এউইন মরগ্যানের জুটি ছিল ১৮২ রানের। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এটি চতুর্থ সর্বোচ্চ জুটি। ইংল্যান্ডের অবশ্য সর্বোচ্চ রানের জুটি এটি।

২ : মালান ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সেঞ্চুরি করলেন। ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হেলস প্রথম সেঞ্চুরি করেছিলেন। মালান ৪৮ বলে সেঞ্চুরি করেন। আর হেলসের ছিল ৬০ বলে।

৭৬ : ইংল্যান্ড তাদের ইনিংসে শেষ ৪ ওভারে ৭৬ রান তোলে।

৬ : নয় ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে ৬ষ্ঠবারের মতো ৫০ বা তার চেয়ে বেশি রানের ইনিংস খেললেন মালান। ৯ ম্যাচে তার ৪৫৮ রান। আর ব্যাটিং গড় রয়েছে ৫৭.২৫।

৯১ : টি-টোয়েন্টিতে এউইন মরগ্যানের সর্বোচ্চ স্কোর।

২১ : মরগ্যান ৯১ রানের ইনিংস খেলেন ৪১ বলে। ৫০ পূরণ করেন ২১ বলে।

advertisement