advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

‘এ পুরস্কার স্বপ্নের মতো আনন্দের’

৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:১৫
advertisement

এর আগেও তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। এবার পেলেন দ্বিতীয়বার। আগে পেয়েছিলেন অভিনয়ে, এবার গায়িকা হিসেবে। অভিনয় ও গায়িকাÑ দুই মাধ্যমে পুরস্কার কে পেতে পারেন? যার কথা বলছি তিনি আঁখি আলমগীর। হ্যাঁ, শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয়ে জাতীয় পুরস্কার পান ‘ভাত দে’ চলচ্চিত্রের জন্য। এবার পেলেন গায়িকা হিসেবে। কথা হয় তার সঙ্গে।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেনÑ তারেক আনন্দ

প্রথমবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার যে বয়সে পেয়েছিলেন, সেটার কথা কি মনে আছে? তখন এর মর্ম কতটা উপলব্ধি করেছেন?

প্রথমবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছিলাম শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী হিসেবে ‘ভাত দে’ চলচ্চিত্রের জন্য ’৮৪ সালে। তখন বয়স খুবই কম ছিলÑ এটা বুঝেছিলাম খুব আনন্দের। কিন্তু জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের মর্ম ততটা বুঝিনি। পরে অনেক অনেকবার, এখন পর্যন্ত আমি প্রশংসা পাই, সম্মানিত হই। আমার প্রফেশন গান। সেই গানে পুরস্কার পেলাম।

খবরটি শোনার পর আপনার অনুভূতি কেমন ছিল?

এ খবরটা আজকে (গতকাল) দুপুরে শোনার পর আমাকে অফিসিয়ালি যখন ইনফর্ম করা হলো, সেই ভাষাটা হয়তো আমি প্রকাশ করতে পারব না। আনন্দাশ্রু বয়ে যাচ্ছিল। আমি ইমোশনাল কোনোভাবেই নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিলাম না। তখন আমার মা ছিলেন আমার বাসায়। মা-মেয়ে জড়িয়ে ধরে অনেকক্ষণ কাঁদছিলাম। আনন্দের কান্না। এখনো কেমন জানি ঘোরের মধ্যে আছি। বিশ্বাস হচ্ছে না।

আপনাদের পরিবারে তিনটি পুরস্কার এলো। নিশ্চয়ই আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে?

হ্যাঁ অবশ্যই আনন্দ বয়ে যাচ্ছে। আর একসঙ্গে তিনজন এটা তো একটা খুব খুবই আনন্দের। আমার বাবা আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন। আন্টি (রুনা লায়লা) প্রথমবার সুর করলেন এবং পুরস্কার পেলেন এবং এই গানেই কণ্ঠ দিয়ে আমিও পেলাম। পুরো ব্যাপারটাই একটা ঘোরের মতো, এ পুরস্কার স্বপ্নের মতো আনন্দের।

আপনার বাবা আলমগীর পরিচালিত ‘একটি সিনেমার গল্প’-এর জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন। এই ছবিতে গাওয়া, গানটির নেপথ্যের কাহিনিটা যদি বলতেন।

গাজী মাজহারুল আনোয়ারের কথায় রুনা আন্টির সুরে ‘গল্প কথার ওই কল্পলোকে জানি একদিন চলে যাব...’। এই গানটা আমি আগেই করেছিলাম। বাবা যখন ‘একটি সিনেমার গল্প’ শুরু করলেন তখন বললেন, এই গানটা সিনেমায় রাখার জন্য। ক্ল্যাসিকেল শেখা হলেও ক্ল্যাসিকেলবেজড গান আমার কম গাওয়া হয়েছে। এ কারণে রুনা আন্টির কাছে রেগুলোর যেতাম গানটি তুলতে। রুনা আন্টির শর্ত অনুযায়ী আমি এক মাস কোনো প্রোগ্রাম করিনি। ওই সময় যত প্রোগ্রাম ছিল সব ছেড়ে দিয়েছি। আমার অস্ট্রেলিয়ায় ট্যুর ছিল সেটাও বাতিল করেছি। যাতে করে আমার ভয়েসটা ঠিক থাকে। আসলে ভালো কিছুর জন্য সেক্রিফাইস করতে হয়। সেক্রিফাইস করলে ভালো কিছু হয়তো পাওয়া যায়।

এখন তো দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল?

জাতীয় পুরস্কার পাওয়ার পর দায়িত্ব অবশ্যই আরও বেড়ে গেল। বরাবরই আমি দায়িত্বশীল ছিলাম। দায়িত্ববান মানুষ হিসেবেই নিজেকে মনে করি। আগামীতে আরও ভালো ভালো কাজ করব।

advertisement