advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সব যোগ্যতা থাকলেও এমপিওভুক্ত হয়নি

জিয়াউর রহমান জুয়েল রাঙামাটি
৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:১৬
advertisement

১৭ বছরেও ভাগ্য বদলালো না কাপ্তাই কেআরসি উচ্চবিদ্যালয়ের। সব যোগ্যতা থাকার পরও হয়নি এমপিওভুক্তি। ফলে শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে হতাশা। অনেক শিক্ষকই পাঠদান বন্ধের কথা ভাবছেন। এত বছরেও এমপিওভুক্ত না হওয়াকে দুঃখজনক বলছেন উপজেলা চেয়ারম্যান মফিজুল হক। তবে প্রশাসনিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহমেদ রাসেল।

১৯৮৪ সালে পাহাড়ি জনপদ কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনায় বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়। তখন থেকেই জেলা পর্যায়ে খ্যাতির শীর্ষে চলে আসে। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ২০০২ সালে কেআরসি লিমিটেডের পাশাপাশি বিদ্যালয়টিকেও পে-অফ ঘোষণা করে। ফলে নিরুপায় শিক্ষকরা স্বেচ্ছাশ্রমেই বিদ্যালয় পরিচালনা করতে থাকেন। এমপিওভুক্তির আশায় এতদিন নানা চেষ্টা-তদবিরও করে আসছিলেন তারা। কিন্তু সম্প্রতি প্রকাশিত সর্বশেষ এমপিও তালিকায় বিদ্যালয়টিকে যুক্ত করা হয়নি। এ প্রতিষ্ঠানে ৪ শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল আলম বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী অধ্যুষিত কাপ্তাইয়ে বসবাসকারী দরিদ্র শিক্ষার্থীরাই এ বিদ্যালয়ে শিক্ষাগ্রহণ করছে। ২০০২ সালে পে-অফ ঘোষণার পর থেকে শিক্ষকরা বিনা বেতনে পাঠদান চালিয়ে আসছেন। তাদের দাবি, মন্ত্রণালয়ের সব শর্তই পূরণ করা হয়েছে। তবুও এমপিওভুক্ত হয়নি প্রতিষ্ঠানটি।

কাপ্তাই উপজেলা চেয়ারম্যান মফিজুল হক বলেন, এত বছরেও এমপিওভুক্ত না হওয়া দুঃখজনক। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে এমপিওভুক্ত করা প্রয়োজন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় এমপির সঙ্গে কথা বলেছি।

কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহমেদ রাসেল বলেন, ঐতিহ্যবাহী কেআরসি উচ্চবিদ্যালয় এমপিওভুক্তির দাবি রাখে। আমরা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর লিখব।

advertisement