advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আটকে আছে ১৭০২টি পাসপোর্ট, যে ব্যাখ্যা দিল রোম দূতাবাস

ইসমাইল হোসেন স্বপন,ইতালি
১০ নভেম্বর ২০১৯ ১৩:১০ | আপডেট: ১০ নভেম্বর ২০১৯ ১৩:১০
পাসপোর্ট জটিলতা নিয়ে দূতাবাসের সংবাদ সম্মেলন। ছবি : আমাদের সময়
advertisement

ইতালিতে পাসপোর্ট জটিলতা নিয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস সম্পর্কে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে তা ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে দেশটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।

দূতাবাস জানিয়েছে, ১০ হাজার পাসপোর্ট নয়, রোম দূতাবাসে আটকে আছে ১৭০২টি পাসপোর্ট। যার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন দূতাবাসের কর্মকর্তারা।

সম্প্রতি রাজধানী রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসের স্থায়ী ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।  সেখানে পাসপোর্টের হাল নাগাদ এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। 

একই সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে প্রবাসীদের কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের কাছে এসব তথ্য তুলে ধরেন কাউন্সিলর সিকদার মো. আশরাফুর রহমান ও এরফানুল হক এবং প্রথম সচিব শেখ সালেহ আহমেদ।

সংবাদ সম্মেলনে ১০ হাজারের অধিক পাসপোর্ট জটিলতার যে অপপ্রচার চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন দূতাবাসের প্রথম সচিব সালেহ আহমেদ।  তিনি ২০১৪ সাল থেকে ২০১৯ সালের ৭ নভেম্বর পর্যন্ত সর্বশেষ তথ্য তুলে ধরেন।

দূতাবাসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সাল থেকে  ডিজিটাল পাসপোর্ট আবেদন গ্রহণ করা হয় ৪১৭টি, আবেদন গ্রহণ শেষে দূতাবাস ৪১৭টি পাসপোর্টই প্রদান করে।  এরপর ২০১৫ সালে পাসপোর্টের জন্য আবেদন জমা পড়ে ২৫ হাজার ৭৫৪টি, প্রদান করা হয় ২৫ হাজার ৬৩৭টি। 

২০১৬ সালে জমা আবেদন জমা পড়ে ১৬ হাজার ৯০৮টি,  প্রদান করা হয় ১৬ হাজার ৯৯৮টি।  ২০১৭ সালে ১০ হাজার ৯৮৬টি পাসপোর্ট, প্রদান করা হয় ১০ হাজার ৫৪০টি পাসপোর্ট।  ২০১৮ সালে ১০ হাজার ৭৮৬টি আবেদন জমা পড়ে, তার  বিপরীতে প্রদান করা হয় ৭ হাজার ৯৬৭টি।

সর্বশেষ ২০১৯-এর অক্টোবর পর্যন্ত জমা পড়ে ৮ হাজার ৫৮৭টি আর দূতাবাস প্রদান করে ১১ হাজার ৪৫৬টি পাসপোর্ট।  তথ্য পরিবর্তনের কারণে পাসপোর্ট প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ৭৮২টি এবং পুলিশ ভেরিফিকেশনের কারণে পেইন্ডিং আছে ৯২০টি পাসপোর্ট।  সব মিলিয়ে ১৭০২টি পাসপোর্ট আটকে রয়েছে বাংলাদেশ পাসপোর্ট অধিদপ্তরে।

এসব পাসপোর্ট আবেদনকারীদের বেশিরভাগের বিষয়ে তথ্য গোপন করার অভিযোগ রয়েছে।  এভাবে তথ্য গোপন করে পাসপোর্ট আবেদন না করারও আহ্বান জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

রেমিটেন্স নিয়ে কাউন্সিলর এরফানুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশ দূতাবাস ১ জুলাই ২০১৮ থেকে ৩০ জুন ২০১৯ পর্যন্ত অর্থবছরে যারা সর্বোচ্চ ১০ হাজার ইউরোর বেশি বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে তাদেরকে পুরস্কৃত করার কথা জানান দূতাবাস।

advertisement