advertisement
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সেন্টমার্টিনে আটকে পড়া পর্যটকরা ফিরছেন বিকেলে

টেকনাফ প্রতিনিধি
১১ নভেম্বর ২০১৯ ১৩:০৩ | আপডেট: ১১ নভেম্বর ২০১৯ ১৪:১৯
পুরোনো ছবি
advertisement

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপে আটকে পড়া ১২শ পর্যটককে আজ সোমবার ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। সতর্ক সংকেত উঠে যাওয়ায় সকাল সাড়ে ১০টায় টেকনাফের দমদমিয়া নৌবন্দর থেকে তিনটি জাহাজ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ফিরতি যাত্রী নিয়ে বিকেলেই টেকনাফে এসে পৌঁছাবে জাহাজগুলো।

জাহাজ কেয়ারি সিন্দাবাদ ও কেয়ারি ক্রুজের ইনচার্জ মো. শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সোমবার থেকে আবহাওয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশে আটকা পড়া পর্যটকদের ফিরিয়ে আসতে সকাল ১০টায় দমদমিয়া জাহাজ ঘাট থেকে তিনটি জাহাজ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে।

এর আগে ঘূর্ণিঝড় ‌‘বুলবুল’ এর কারণে গত ৮ নভেম্বর থেকে কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত জারি করেছিল আবহাওয়া অধিদপ্তর। এরপর থেকে সেন্টমার্টিনের নৌপথে পর্যটকবাহী জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে দ্বীপে আটকা পড়ে ১২শ পর্যটক।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, ‘ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকার কারণে সেন্টমার্টিনের নৌপথে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে গত তিন দিন ধরে দ্বীপে আটকা পড়ে ১২শ পর্যটক। তারা যেন কোনো প্রকার হয়রানি ও অসুবিধায় না পড়ে সেজন্য আমরা সার্বিক নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।’

সোমবার থেকে আবহাওয়া পরিস্থিতি ভালো হয়েছে জানিয়ে সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আটকে পড়া পর্যটকদের দ্বীপ থেকে নিয়ে আসার জন্য সকাল ১০টায় তিনটি জাহাজ দ্বীপে পাঠানো হয়েছে। তাদের নিয়ে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ঘাটে এসে পৌঁছাবে জাহাজগুলো।’

এদিকে আটকে পড়া পর্যটকরা সবাই সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন সেন্টমার্টিনের ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহাম্মদ। তিনি বলেন, ‘আমরা সার্বক্ষণিক তাদের খোঁজখবর রেখেছি যাতে তারা কোনো প্রকার হয়রানির শিকার না হয়। পাশাপাশি হোটেল ও রেস্তোরাঁ থেকেও তাদের ৫০ শতাংশ ডিসকাউন্ট দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।’

advertisement