advertisement
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সেন্টমার্টিন থেকে ফিরলেন ১২শ পর্যটক

আবদুল্লাহ মনির, টেকনাফ
১২ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ নভেম্বর ২০১৯ ০১:০১
advertisement

বৈরী আবহাওয়ার কারণে সেন্টমার্টিনে আটকাপড়া প্রায় বারোশ পর্যটক ফিরেছেন। আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ায় সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে পর্যটকবাহী জাহাজে করে টেকনাফের দমদমিয়া জেটিঘাটে পৌঁছেন তারা। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নেতৃত্বে একটি দল প্রত্যেকের হাতে ফুল ও চকোলেট তুলে দেন। ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর কারণে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে জাহাজ

চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় দেশি-বিদেশি এসব পর্যটক সেখানে আটকা পড়েছিলেন।

জানা গেছে, বিআইডব্লিউটিএর অনুমতি নিয়ে সোমবার সকালেই টেকনাফ থেকে ফরহান, আটলান্টিক ক্রুজ ও কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন নামে তিনটি জাহাজ কিছু যাত্রী নিয়ে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। সন্ধ্যায় এসব জাহাজে করে আটকাপড়া পর্যটকরা ফিরে আসেন। দমদমিয়া জেটিঘাটে কথা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে। তার নেতৃত্বে বিভাগের ৬০ জনের একটি দল সেন্টমার্টিনে গিয়ে আটকা পড়েছিল। বুলবুলের অভিজ্ঞতা নিয়ে ড. মনিরুজামান বলেন, ‘আমরা একটু ভয়ে ছিলাম। তবে ছাত্রদের নিয়ে ফিরে এসেছি, এটা অনেক বড় বিষয়। দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন খুবই অপরিষ্কার ছিল। তাই সবাইকে নিয়ে একদিন বিচ পরিষ্কার করেছি।’

ঢাকার পান্থপথের বাসিন্দা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘গেল ৭ নভেম্বর সপরিবারে সেন্টমার্টিনে বেড়াতে গিয়ে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে আটকা পড়ি। সঙ্গে ছিল স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা আর তিন বছরের একমাত্র সন্তান আরিশা। ভয় আর আতঙ্কের মধ্যেই পার করেছি এই তিনটা দিন। তবে আমাদের কাছে দিনগুলো স্মরণীয় হয়ে থাকবে। কারণ বিয়ের পর এই প্রথম সপরিবারে প্রবালদ্বীপে বেড়াতে যাই। দ্বীপবাসীর ভালোবাসা ও সহযোগিতাও পেয়েছি অনেক।’ অভিযোগ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘স্থানীয় প্রশাসন হোটেল ও রেস্তোরাঁ মালিকদের ৫০ শতাংশ ডিসকাউন্ট দেওয়ার নির্দেশ দিলেও অনেক হোটেল কর্তৃপক্ষ তা অমান্য করেছে। উল্টো তারা অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নিয়েছে আমাদের কাছ থেকে। এখন ফিরে এসে অনেক ভালো লাগছে।’

টেকনাফের ইউএনও মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘বৈরী আবহাওয়া কেটে যাওয়ায় সেন্টমার্টিনে সকালে পর্যটকবাহী তিনটি জাহাজ করে সেখানে আটকাপড়া পর্যটকদের ফেরত আনা হয়েছে। তারা সবাই ভালো আছেন। তাদের নিয়ে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন ছিলাম।’

advertisement