advertisement
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বরগুনায় ৩৭ কিলোমিটার বাঁধ মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ

মাহবুবুল আলম মান্নু বরগুনা
১২ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ নভেম্বর ২০১৯ ০১:০১
advertisement

বরগুনায় শনিবার সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তা-ব চলে। এতে সদর, বামনা, বেতাগী, পাথরঘাটা, আমতলী ও তালতলী উপজেলার আট শতাধিক কাঁচাঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়; হাজার হাজার গাছপালা উপড়ে যায়; বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় নিম্নাঞ্চল। বেশ কিছু বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ে অন্ধকারে আছে পুরো জেলা; মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে ৩৭ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ।

এদিকে বরগুনার একটি আশ্রয়কেন্দ্রে শনিবার রাতে হালিমা খাতুন নামে এক নারীর মৃত্যু হয়। তিনি সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের ডিএল কলেজ আশ্রয়কেন্দ্রে ছিলেন। বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনিচুর রহমান জানান, ওই নারী অসুস্থতার কারণে মারা গেছেন। ঘূর্ণিঝড়ে বামনার বেগম ফায়জুন্নেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজের টিনের ঘরটি গাছ পড়ে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। বরগুনায় ৩৭ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। এ জেলার ৯৫০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় সিডর, আইলা, মহাসেন, ফণীসহ একাধিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রায় সাড়ে পাঁচশ কিলোমিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেই বাঁধ এখনো সম্পূর্ণ মেরামত করা হয়নি। অরক্ষিত এ বাঁধের জন্য আগেই বিলীন হয়ে গেছে বহু বসতবাড়ি, গাছপালা এবং কয়েকশ একর ফসলি জমি। সর্বশেষ ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তা-বেও ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাঁধগুলো। ফলে আতঙ্কে রয়েছেন ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ এলাকার লক্ষাধিক বাসিন্দা। বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বরগুনা জেলায় ২২ পোল্ডারে প্রায় ৯৫০ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে ৩৭ কিলোমিটার বাঁধ মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। বাকি বাঁধও মেরামত করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

বরগুনার জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত জেলার ৫০৯ আশ্রয়কেন্দ্রে ৮০ হাজার ৪২৪ মানুষ প্রায় ১০ হাজার গবাদি পশু এবং ৩০ হাজার হাঁস-মুরগি নিয়ে আশ্রয় নেন।

advertisement