advertisement
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ত্রাণ নয়, চাই শক্ত বেড়িবাঁধ...

কাজী রাকিব পাথরঘাটা
১২ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ নভেম্বর ২০১৯ ০১:০১
advertisement

‘এই বেড়িবাঁধ এলাকায় আমরা ৩০০ পরিবার বসবাস করি। স্থায়ী বেড়িবাঁধ না থাকায় প্রতিটি মুহূর্তে আতঙ্কে থাকি। সরকার একবার ত্রাণ দিয়ে চলে যায়। আর আমাদের বাকি দিন থাকতে হয় হাঁপিয়ে। আমরা ত্রাণ চাই না, শক্ত বেড়িবাঁধ চাই।’ আক্ষেপ নিয়ে কথাগুলো বলছিলেন বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার জিনতলা এলাকার জাবের খান, আকলিমা, হলুফা প্রমুখ। গতকাল সোমবার দুপুরে বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বেড়িবাঁধ এলাকায় ত্রাণ বিতরণকালে ওই এলাকার বাসিন্দারা এসব কথা বলেন।

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে সৃষ্ট ঝড়ো হওয়ায় পাথরঘাটায় পাঁচ হাজার ঘরবাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ও ৫০০টির মতো ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। বুলবুল পরবর্তী উদ্ধার কাজে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচ কর্মীসহ ৫০ জন আহত হয়েছে। এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছ উপড়ে পড়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এ ঘটনায় শনিবার থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিছিন্ন রয়েছে।

পাথরঘাটা কলেজ এলাকার বাসিন্দা সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম খোকনের ঘরের ওপর গাছ ভেঙে পড়লে তিনি আহত হন। এ সময় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে তার শিশু সন্তানসহ স্ত্রী।

উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কবির আমাদের সময়কে জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে পাথরঘাটায় ব্যাপকভাবে ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বিষখালী ও বলেশ্বর নদীবেষ্টিত উপকূলীয় পাথরঘাটার অনেক এলাকায়ই নেই স্থায়ী বেড়িবাঁধ। এতে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ। বিশেষ করে কাকচিড়া, কাঁঠালতলী, চরলাঠিমারা, জিনতলা, পদ্মা, রুহিতা এলাকার মানুষগুলো রয়েছে ভাঙন ঝুঁকিতে। গত কয়েক বছরে সিডর, আইলা, মহাসেনের আঘাতে বারবার ভেঙে গেছে ওই স্থানগুলো।

advertisement