advertisement
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মন্ত্রিসভায় পিপিপি আইনের খসড়া অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
১২ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ নভেম্বর ২০১৯ ০১:১২
advertisement

সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) কর্তৃপক্ষের সাংগঠনিক কাঠামো এবং প্রস্তাবিত চাকরি প্রবিধানমালায় বিভিন্ন পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিধান রেখে বাংলাদেশ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (সংশোধন) আইন ২০১৯-এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। গতকাল সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। এ ছাড়া সংসদ সদস্য মইন উদ্দীন খান বাদলের মৃত্যুতে বৈঠকে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, পিপিপি কর্তৃপক্ষের সাংগঠনিক কাঠামোতে কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিধান রয়েছে। বিদ্যমান আইনের ১১ ধারায় পিপিপি কর্তৃপক্ষে সরাসরি নিয়োগকৃত কর্মচারীদের চাকরির শর্তাবলি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হবে মর্মে উল্লেখ আছে। কর্তৃপক্ষে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগকৃত ব্যক্তিগণের ক্ষেত্রে পৃথক বিধানাবলি সংযোজনের লক্ষ্যে এ পর্যায়ে বিদ্যমান আইনের ১১ ধারা সংশোধন করে শর্তাংশ হিসাবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রে বোর্ড অব গভর্নস কর্তৃক অনুমোদিত গাইডলাইন বা বিধান প্রযোজ্য হওয়ার বিষয় যুক্ত হয়েছে।

পিপিপি কর্তৃপক্ষের সাংগঠনিক কাঠামো এবং প্রস্তাবিত চাকরি প্রবিধানমালায় বিভিন্ন পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে। পিপিপি কর্তৃপক্ষের সরাসরি নিয়োগ দেওয়া কর্মচারীদের চাকরির শর্তাবলী প্রবিধান দিয়ে নির্ধারিত হলেও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে আলাদা বিধানের কথা বলা হয়েছে। ফলে পিপিপি কর্তৃপক্ষ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিতে পারবে। আইনে অন্তর্ভুক্তির ফলে পিপিপিতে সব সময়ই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হবে।

আনোয়ারুল ইসলাম জানান, পিপিপি আইন, ২০১৫ এর ৮(২) উপ-ধারায় বোর্ড অব গভর্নসের সভা বছরে অন্তত ছয়টি অনুষ্ঠিত হবে মর্মে উল্লেখ আছে। তা সংশোধন করে ৬টির পরিবর্তে একটি সভার প্রস্তাব করা হয়েছে। পিপিপি কর্তৃপক্ষের বোর্ড অব গভর্নসের প্রথম সভায় ওই কর্তৃপক্ষের নির্বাহী বোর্ড গঠন করা হয়েছে। উপযুক্ত নির্বাহী বোর্ডের গঠন, দায়িত্ব ও সভা অনুষ্ঠান সংক্রান্ত বিষয়াদি বিদ্যমান আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সচিব জানান, আগে এ আইনে জি-টু-জি প্রকল্পের বিষয়ে কোনো বিধান ছিল না। কিন্তু আইনটি হওয়ার পর সরকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে পিপিপি প্রকল্প (জি-টু-জি পিপিপি) বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়।

advertisement