advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর প্রবাসী স্বামীর আত্মহত্যা!

নিজস্ব প্রতিবেদক,রংপুর
১২ নভেম্বর ২০১৯ ০২:২৫ | আপডেট: ১২ নভেম্বর ২০১৯ ০৮:৫৮
ছবি : সংগৃহীত
advertisement

রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় পরকীয়া সন্দেহে এনজিও কর্মী স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর গলায় ফাঁস দিয়ে প্রবাসী স্বামীর আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার চৌধুরাণী বাজারে ব্র্যাক শাখা অফিসে ঘটনাটি ঘটে।

নিহত তাসলিমা আক্তার রুনি (২৫) ব্র্যাকের চৌধুরাণী শাখার হিসাবরক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, পীরগাছার কৈকুড়ী ইউনিয়নের সুবিদ গ্রামের তোজাম্মেল হকের মেয়ে তাসলিমা আক্তার রুনির সঙ্গে প্রেম করে চার বছর আগে গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের রঘুনাথ গ্রামের শামছুল আলম মাস্টারের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মাসুদ স্বপন বিয়ে করেন। তাদের দুজনেরই এটি  ছিল দ্বিতীয় বিয়ে। বিয়ের পর মাসুদ স্বপন প্রায় তিন বছর প্রবাসে থাকাকালীন আয়ের সম্পূর্ণ অর্থ স্ত্রী রুনির নামে পাঠান। পরে গত চার মাস আগে স্বপন বাড়িতে ফিরে এলে ওই অর্থসহ স্ত্রীর পরকীয়ার বিষয়ে দুজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

বিরোধের জের ধরে স্বপন গতকাল সকালে রুনির কর্মস্থল ব্র্যাক অফিসে উপস্থিত হন। এ সময় ওই অফিসের অন্য কর্মীরা মাঠে থাকার সুযোগে রুনির ওপর ধারাল অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেন। এতে রুনির মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে স্বামী স্বপন ওই অফিসে স্ত্রীর ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এক সহকর্মী অফিসে ফিরে বিষয়টি দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকারে লোকজন ছুটে এসে রুনিকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে পথিমধ্যেই তার মৃত্যু হয়।

তবে স্থানীয়রা বলছেন, ঘটনাস্থলেই রুনির মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।

পীরগাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ রানা বলেন, ফাঁসে ঝুলে থাকাবস্থায় চৌধুরাণী ব্র্যাক অফিসে স্বপন নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, স্বপনের লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এনজিও কর্মী রুনির লাশ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

advertisement