advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সম্রাট-আরমানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৩ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৩ নভেম্বর ২০১৯ ০০:১০
advertisement

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক আরমানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল মঙ্গলবার দুদকের ঢাকার ১ নম্বর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে পৃথকভাবে দুজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য জানান, কমিশনের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম এদিন দুই কোটি ৯৪ লাখ

৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা করেন। অপরদিকে দুই কোটি ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আরমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন।

দুদকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্রাট বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। অভিযোগ আছে তিনি মতিঝিল ও ফকিরাপুল এলাকায় ১৭টি ক্লাব নিয়ন্ত্রণ করতেন এবং সেগুলোতে লোক বসিয়ে মোটা অঙ্কের কমিশন নিতেন। অনেক সময় ক্লাবগুলোতে ক্যাসিনো ব্যবসা পরিচালনা করতেন। তিনি অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ দিয়ে ঢাকার গুলশান, ধানম-ি ও উত্তরাসহ বিভিন্ন স্থানে একাধিক ফ্ল্যাট, প্লট কিনেছেন ও বাড়ি নির্মাণ করেছেন। এ ছাড়া তার সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, দুবাই ও যুক্তরাষ্ট্রে নামে-বেনামে ১ হাজার কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে।

অন্যদিকে যুবলীগের ঢাকা দক্ষিণের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি আরমান সম্রাটের বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রম দেখভাল করতেন। এর মাধ্যমে তিনি ২ কোটি ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। আরমান অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ সিনেমা ব্যবসায়ও বিনিয়োগ করেন। তার পরামর্শে ও টাকায় বিদেশ থেকে ক্যাসিনোর মালামাল আমদানি করা হয়। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে আরমান অবৈধ অর্থ দিয়ে গুলশান, বারিধারা, মহাখালীসহ বিভিন্ন স্থানে বাড়ি, ফ্ল্যাট ও প্লটের মালিক হয়েছেন। মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরেও তার সম্পদ রয়েছে।

ক্যাসিনো ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে গত ৭ অক্টোবর সম্রাট ও আরমানকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এর পর থেকে তারা কারাগারে আছেন।

advertisement