advertisement
International Standard University
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মিশর ও তুরস্ক থেকে পেঁয়াজ আনা হবে : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৫ নভেম্বর ২০১৯ ০০:১৭ | আপডেট: ১৫ নভেম্বর ২০১৯ ০১:৫৬
জাতীয় সংসদের পঞ্চম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি : ফোকাস বাংলা
advertisement

কিছু দিনের মধ্যে মিশর ও তুরস্ক থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজের চালান চলে আসবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘আমি নির্দেশ দিয়েছি পেঁয়াজ আসার সাথে সাথে জেলায় জেলায় চলে যাবে, সেখানে টিসিবি ট্রাকে ট্রাকে করে বিতরণ করবে।’

গতকাল বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদের পঞ্চম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ ব্যাপরে যথেষ্ট সচেতন আছি, যাতে সমস্যাটা না হয়। বিশ্বের আরও কোথায় কোথায় পেঁয়াজ পাওয়া যায় সেটা খোঁজ নিয়ে পেঁয়াজ আনা হবে।’

পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নর বক্তব্যের জবাবে সংসদ নেতা বলেন, ‘একজন বিরোধী দলের নেতা বলেছেন ভারতে নাকি ৮-১০ টাকা কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। সেটা একটা স্টেট এ, সেখান থেকে পেয়াজ নিয়ে বাড়ি যেতে দিচ্ছে না। কিন্তু সারা ভারতবর্ষে এখন প্রায় ১০০ রুপি কেজি বিক্রি হচ্ছে। তাদেরই পেঁয়াজের অভাব। তারা বিদেশ থেকে আমদানি করছে। তারপরেও আমার অনুরোধে যেগুলো এলসি খোলা হয়েছিল সেই পেঁয়াজগুলো তারা আনতে দিয়েছিল।’

তিনি বলেন, আমাদের দেশে যে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে, পেয়াজ কিন্তু আছে দেখা যাচ্ছে। আমরা যে অভিযান চালাইনি, তা না চালাচ্ছি কিন্তু। বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে দেখা যাচ্ছে পেঁয়াজ পঁচে যাচ্ছে কিন্তু পেঁয়াজ বাজারে ছাড়ছে না। দাম বেড়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে উদ্যোগ নিয়েছি। টিসিবির মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলে ৪৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। আমরা বিদেশ থেকে বিশেষ করে ইজিপ্ট থেকে পেঁয়াজ আমদানির জন্য আমাদের লোক চলে গেছে। সেখান থেকে পেঁয়াজ আনছি। আমরা বাইরে থেকেও পেঁয়াজ আমদানির ব্যবস্থা নিচ্ছি। এটা মিশর এবং তুরস্ক থেকে পেঁয়াজ আনার ব্যবস্থা নিয়েছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য দারিদ্র বিমোচন করা। ইতিমধ্যে আমাদের গৃহিত পদক্ষেপের ফলে দারিদ্রের হার ২১ ভাগে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। এই হার আরো কমিয়ে নিয়ে আসব। বাংলাদেশ দারিদ্র বলে কিছু থাকবে না। সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি।’

advertisement