advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

স্বেচ্ছাসেবক লীগের কাউন্সিলে প্রধানমন্ত্রী
পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধিতে জড়িত চক্রকে খুঁজে বের করা হবে

পেঁয়াজ বিমানে উঠে গেছে, আর চিন্তা নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০১:৩৩
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গতকাল স্বেচ্ছাসেবক লীগের কাউন্সিলের উদ্বোধনীপর্বে বক্তব্য রাখেন শেখ হাসিনা - ফোকাস বাংলা
advertisement

কার্গো বিমানে করে দু-এক দিনের মধ্যে পেঁয়াজ আসবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির এই সমস্যা যাতে না থাকে সে লক্ষ্যে কার্গো ভাড়া করে আমরা পেঁয়াজ আনা শুরু করেছি। পেঁয়াজ বিমানে উঠে গেছে, চিন্তার কারণ নেই। কাল-পরশুর মধ্যেই এই বিমানের পেঁয়াজ এসে পৌঁছবে। গতকাল শনিবার সকালে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের তৃতীয় ত্রিবার্ষিক জাতীয় কাউন্সিলের উদ্বোধনীপর্বে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির পেছনে কোনো ষড়যন্ত্র থাকলে সরকার তা খতিয়ে দেখবেÑ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সব দেশেই পেঁয়াজের দাম বেড়েছে, এটা ঠিক। কিন্তু আমাদের দেশে কী কারণে এত লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়ছে, জানি না। আমরা দেখতে চাই, এ ধরনের চক্রান্তের সঙ্গে কেউ জড়িত রয়েছে কিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি এখন পেঁয়াজ মজুদ করে দাম বাড়িয়ে দু-টাকা কামাতে চান, তাদের এটাও চিন্তা করতে হবে- পেঁয়াজ তো পচে যাবে। সেই পচা পেঁয়াজও এখন শুকানোর চেষ্টা হচ্ছে। তবে মানুষকে কষ্ট দেওয়াটা কেন? পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত চক্রকে খুঁজে বের করা হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, ইন্ডিয়াতেও পেঁয়াজের দাম অনেক বেশি। সেখানে ১০০ রুপিতে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। শুধু একটি স্টেটে একটু দাম কম। কারণ ওই স্টেটের পেঁয়াজ বাইরে যেতে দেওয়া হয় না।
তিনি ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থে দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্তে লিপ্ত একটি স্বার্থান্বেষী মহলের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, মানুষ যখন ভালো থাকে, সুস্থ থাকে তখন একটি শ্রেণি আছে তারা মনঃকষ্টে ভোগে, অসুস্থতায় ভোগে। তাদের এই রোগ কীভাবে সারানো যায় সেটা জনগণই বিবেচনা করবে।
শেখ হাসিনা বলেন, যতই আমরা এগিয়ে যাই এবং মানুষ যত ভালো থাকে, একটা না একটা ইস্যু তৈরি করার এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করার একটা চেষ্টা করা হয়। কাজেই এর পেছনে মূল কারণটা কী, সেটা আমাদের খুঁজে বের করতে হবে।

আওয়ামী লীগের সহযোগী এই সংগঠনটির সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন। সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহসভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বর্তমানে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী মেজবাহুল হোসেন সাচ্চু বক্তৃতা করেন। সংগঠনের সহসভাপতি এবং সম্মেলন অভ্যর্থনা উপকমিটির আহ্বায়ক মতিউর রহমান মতি স্বাগত বক্তৃতা করেন।
এর আগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে কাউন্সিল উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। বক্তৃতাপর্বের শুরুতে শোক প্রস্তাব পাঠ করেন সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক সালেহ মো. টুটুল।

এর পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধের সব শহীদ, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৫ আগস্টের সব শহীদ, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় শহীদ এবং দেশের সব গণআন্দোলনের শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সম্মেলনের উদ্বোধনীপর্ব শেষে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দ্বিতীয় পর্বে সংগঠনের নতুন নেতৃত্ব ঠিক করা হয়।

advertisement