advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

লন্ডনে সাক্ষাৎকার দেবেন বিএনপির ৩ মেয়রপ্রার্থী

নজরুল ইসলাম
১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১৩:২২
advertisement

ঢাকা উত্তর, দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা থাকলেও প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে চায় বিএনপি। এর অংশ হিসেবে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্ভাব্য তিন মেয়রপ্রার্থীকে লন্ডনে ডেকেছেন।

তাদের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটির সম্ভাব্য প্রার্থী তাবিথ আউয়াল আজ রবিবার সকালে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা দেবেন। এর পর পর্যায়ক্রমে ডাক পাবেন দক্ষিণের মেয়রপ্রার্থী হিসেবে ইশরাক হোসেন ও চট্টগ্রামের প্রার্থী শাহাদাত হোসেন। কাউন্সিলর প্রার্থী চূড়ান্ত করতেও মেয়র পদপ্রার্থীদের মতামত নেওয়া হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

আগামী বছরের শুরুতে এই তিন সিটিতে ভোট হওয়ার কথা। বর্তমানে তিন মেয়রই আওয়ামী লীগের। বিএনপি নেতাদের ভাষ্য, দিন দিন দলের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। সবশেষ সাদেক হোসেন খোকার জানাজায় মানুষের ঢল তা প্রমাণ করেছে। ফলে নিরপেক্ষ ভোট মানেই বিএনপির প্রার্থীর বিজয়। এ অবস্থায় আইনি জটিলতা বা অন্য কোনো কারণে নির্বাচন আটকে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন বিএনপি নেতারা। এমন শঙ্কার পরও বিএনপির মেয়র ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী চূড়ান্ত করাসহ সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে রাখবে।

ঢাকা উত্তরে গত নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তাবিথ আউয়াল। গত আগস্টে তাকে টেলিফোন করে প্রস্তুতি নিতে বলেন তারেক রহমান। বিএনপির নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, ঢাকা দক্ষিণের বেশিরভাগ ভোটারই স্থানীয় বাসিন্দা বলে তাদের মধ্য থেকেই প্রার্থী করতে চায় দলের হাইকমান্ড। তবে স্থানীয় বাসিন্দা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বা তার স্ত্রী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের নির্বাচন করার আগ্রহ নেই।

এ অবস্থায় প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার ছেলে প্রকৌশলী ইশরাককে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। যদিও সেখানে প্রার্থী হতে আগ্রহী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল। বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ এক নেতা জানান, তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য দলের বড় একটি অংশ সোহেলকে সামনে রেখে ব্যাপকভাবে কাজ করছে।

চট্টগ্রামে শাহাদাত হোসেনকে প্রার্থী করার একটি সিদ্ধান্ত থাকলেও কারাবন্দি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বকর ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ানেরও আগ্রহ রয়েছে। জানা গেছে, মইনউদ্দীন খান বাদলের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচনে আবু সুফিয়ানকে প্রার্থী করা হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বরচন্দ্র রায় বলেন, দল নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত যেহেতু নিয়েছে, প্রার্থী দেওয়াটা তো স্বাভাবিক। সময় সুযোগ বুঝে দল চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবে। এখন আমরা কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি দল পুনর্গঠন নিয়ে আছি।

তাবিথ আউয়াল বলেন, নির্বাচন হবে কিনা শঙ্কা রয়েছে। আবার হলেও ভোটাররা ভোট দিতে পারবে কিনাÑ এ প্রশ্নও রয়েছে। তবে নিরপেক্ষ ভোট হলে ধানের শীষের যিনিই প্রার্থী হবেন তাকে ভোটাররা ভোট দিয়ে

 

নির্বাচিত করবেন। ইশরাক হোসেন বলেন, দলীয় মনোনয়ন পেলে নির্বাচনের জন্য আমি প্রস্তুত।

শাহাদাত হোসেন বলেন, দল নির্বাচনে অংশ নিলে তিনি প্রার্থী হবেন। প্রস্তুতির কোনো সমস্যা নেই। তবে অতীতে যেভাবে ভোট ডাকাতি হয়েছে তা বন্ধ করতে হবে।

advertisement