advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে আয়কর মেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০৫
advertisement

মেলা বাংলাদেশের ঐতিহ্য; যেখানে থাকবে মানুষের আনাগোনা। থাকবে বিনোদন। মানুষের রক্তের সঙ্গে মিশে আছে মেলা। যে কোনো মেলায়ই বিকিকিনির সঙ্গে থাকে বিনোদনের ব্যবস্থাও। দেশের অন্যান্য মেলার মতো আয়কর মেলার প্রতিও মানুষের আগ্রহ কম নেই। কারণ জাতীয় আয়কর মেলায় নেই কোনো ভয়-ভীতি। নেই হয়রানির ঘটনা। উল্টো মিলছে ভালো সেবা। ফলে বেশিরভাগ করদাতারই আয়কর মেলায় কর বিবরণী জমা দেওয়ার লক্ষ্য থাকে।

এনবিআর সূত্র জানিয়েছে, দেশে ২০১০ সালে প্রথমবারের মতো জাতীয় আয়কর মেলা শুরু হয়। এর পর প্রতিবছরই আয়কর আহরণ এবং করসেবা গ্রহণকারীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এ সেবা ছড়িয়ে পড়েছে রাজধানী থেকে উপজেলা পর্যন্ত।

এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশে মেলা খুবই জনপ্রিয়। বাংলাদেশের মানুষের রক্তের সঙ্গে মিশে আছে। তবে অন্যান্য মেলার মতো এখানে বিনোদনের ব্যবস্থা না থাকলেও সেবা আছে। ফলে দিন দিন বাড়ছে মেলার পরিধি। করদাতারা এ মেলায় এসে উৎসবের আমেজে আয়কর দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। তার মতে, আয়কর মেলার অর্জন অনেক। আয়কর মেলা চালুর ফলে প্রতিবছরই কর দেওয়া মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। রিটার্ন জমার পরিমাণ বাড়ছে। আদায় বাড়ছে। নতুন টিআইএন ইস্যুর সংখ্যাও বাড়ছে।

এনবিআর সূত্র বলছে, ২০১০ সালে আয়কর মেলা শুরু হয়। ওই বছর আয়কর মেলা থেকে এনবিআর আদায় করেছিল ১১৩ কোটি টাকা। পরের বছর ২০১১ সালে আয়কর মেলা থেকে আদায় হয় ৪১৪ কোটি টাকা। তার পরের বছর ২০১২ সালে আদায় হয় ৮৩১ কোটি টাকা। ২০১৩ সালে আদায় হয় ১ হাজার ১১৭ কোটি টাকা। ২০১৪ সালে মেলা থেকে আদায় হয় এক হাজার ৬৭৫ কোটি টাকা। ২০১৫ সালের মেলা থেকে ২ হাজার ৩৫ কোটি টাকা আদায় করে এনবিআর। ২০১৬ সালে ২ হাজার ১২৯ কোটি, ২০১৭ সালে ২ হাজার ২১৭ কোটি টাকা এবং ২০১৮ সালে আয়কর মেলা থেকে আদায় হয়েছে প্রায় ২ হাজার ৪৬৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ গত ৯টি মেলা থেকে ১৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থ আদায় করেছে এনবিআর। এ বছর আয়কর মেলা থেকে তিন হাজার কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

advertisement