advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে পৃথক মন্ত্রণালয় দাবি

১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০৫
advertisement

দেশের ১৬ কোটি মানুষই ক্রেতা-ভোক্তা হলেও তাদের স্বার্থ ও অধিকার সুরক্ষায় কোনো পৃথক মন্ত্রণালয় নেই। তাই ক্রেতা- ভোক্তার স্বার্থ ও অধিকার সুরক্ষায় পৃথক মন্ত্রণালয় এখন সময়ের দাবি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, ব্যবসায়ীদের জন্য নিয়োজিত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি ক্ষুদ্র অধিদপ্তরের মাধ্যমে কিছু উদ্যোগ নেওয়া হলেও এটিও প্রয়োজনের তুলনায় নগণ্য। আর ভোক্তাদের জন্য সব কিছুর ভার দেওয়া হয়েছে ব্যবসায়ীদের ওপর। শুক্রবার নগরীর চট্টগ্রামের হামজারবাগ অনির্বাণ ক্লাব মিলনায়তনে নিরাপদ খাদ্য ও ভোক্তা অধিকার আইন নিয়ে গণসচেতনতা বিষয়ক সভায় বিভিন্ন বক্তা এসব মন্তব্য করেন। ষনিজস্ব প্রতিবেদক

ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণের দায়িত্বে নিয়োজিত বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ভোক্তাস্বার্থের বিষয়টি দেখার কারণে ভোক্তাস্বার্থ বারবার উপেক্ষিত ও ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে। বিষয়গুলো অনেকটাই বিড়ালকে মাছ পাহারা দেওয়ার মতো। ফলে ব্যবসায়ীরা মুক্তবাজার অর্থনীতির নামে একবার পেঁয়াজ, একবার চাল, একবার মসলা, একবার সয়াবিনÑ এভাবে বছরজুড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে জনগণের পকেট কাটছে। অন্যদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মূল কাজ হলে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ। সে কারণে দেশের ভোক্তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের বার্ষিক চাহিদা নিরূপণ, উৎপাদন, জোগান, বাজারজাতকরণে প্রতিবন্ধকতা নিয়ে অনুসন্ধান, ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণে চিন্তা করার সময় বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের থাকে না। এদিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হলেও জেলা পর্যায়ে একজন কর্মকর্তা দিয়ে কোনো রকমে লজিস্টিক সুবিধা ছাড়াই তারা কাজ করছেন। আর নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, খোদ রাজধানী ঢাকা শহরে তার কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া কঠিন। যদিও সরকার ভোক্তা সংরক্ষণ আইন, নিরাপদ খাদ্য আইনসহ নানা উদ্যোগ নিলেও তার সুফল জনগণ পাচ্ছে না। সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত ও ভোক্তার অধিকার সুনিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগে সরকারি প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে পৃথক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা ছাড়া কোনোভাবেই সম্ভব হবে না।

advertisement