advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শরীয়তপুরে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা

রোমান আকন্দ শরীয়তপুর
১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০৬
advertisement

সরকারি প্রণোদনা ও বীজ-সার সহায়তা নিয়ে জাজিরা উপজেলায় বিনাচাষে পেঁয়াজের আবাদ বাড়িয়েছেন চাষিরা। তবে সম্প্রতি বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এসব চাষি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত বছর অক্টোবর মাসের প্রথম দিকে জমি থেকে পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভেজা জমিতে পেঁয়াজের অঙ্কুর রোপণ করে কম খরচে বেশি লাভবান হন চাষিরা। ফলে এ ধরনের পেঁয়াজ চাষে ব্যাপক আগ্রহী হয়ে ওঠেন চাষিরা। এবারও উপজেলায় একই পদ্ধতিতে ব্যাপক হারে পেঁয়াজের আবাদ হয়। চাষিরা জানান, এ ধরনের আবাদে প্রথমত জমি চাষ দিতে হয় না। সার ও সেচ লাগে তুলনামূলক কম। উৎপাদন খরচ হয় কম, উৎপাদনও বেশি হয়। চাষিরা আগাম এসব পেঁয়াজ বাজারজাত করার আশা করেছিলেন। কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের কারণে তাদের অনেকেই থমকে গেছেন। তার পরও অনেকে আগাম পেঁয়াজ তোলার চিন্তা করছেন। কিন্তু জেলায় কাঁচা পেঁয়াজ সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় তারা চিন্তিত। বিষয়টি স্বীকার করেছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আমির হামজা।

এ ব্যাপারে জাজিরা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জামাল উদ্দিন জানান, এবার উপজেলার ৮০ কৃষক ২০০ একর জমিতে বিনাচাষে পেঁয়াজ আবাদ করেন। এতে উৎপাদন ব্যয় প্রায় ২০ লাখ টাকা হ্রাস পাবে। একই সঙ্গে ১০ টনের অধিক পেঁয়াজ উৎপাদন হবে বলে আশা করেন তিনি।

চাষি আ. রাজ্জাক বলেন, ভেজা স্যাঁতসেঁতে জমিতে আগাছা পরিষ্কার করে চাষ ও সার ছাড়াই সহজে পেঁয়াজ-কুঁড়ি রোপণ করে বেশ ভালো ফলন পাওয়ায় এবার আরও অধিক জমিতে আবাদ করেছিলাম। তবে ঘূর্ণিঝড়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। এর পরও আবহাওয়া ভালো থাকলে ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা যেতে পারে।

advertisement