advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

পাবনায় চলছে আবাদের প্রস্তুতি

সুশান্ত কুমার সরকার পাবনা
১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০৬
advertisement

পেঁয়াজ উৎপাদন এলাকা হিসেবে খ্যাত পাবনার সুজানগর ও সাঁথিয়া উপজেলা। এ দুই উপজেলার কৃষকরা পেঁয়াজ আবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সম্প্রতি দুবার বৃষ্টির কারণে আগাম পেঁয়াজ লাগাতে পারেননি অনেক কৃষক। কিছু জমিতে কন্দ (মূলকাটা) পেঁয়াজ লাগানো হলেও বৃষ্টির কারণে ক্ষতি হয়েছে। দুই ধাপে বৃষ্টির কারণে জমি প্রস্তুত করতেও বিলম্ব হচ্ছে কৃষকদের। এ অবস্থায় কৃষকদের বেশি করে পেঁয়াজ আবাদের জন্য উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে কৃষি বিভাগ থেকে। কৃষকদের দেওয়া হচ্ছে বীজ ও সার প্রণোদনা, সেই সঙ্গে পরামর্শও।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, পাবনার ৯ উপজেলায় এ বছর ৫ লাখ ৯৩ হাজার ৩২৩ টন পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ৪৯ হাজার ৪২০ হেক্টরে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে কন্দ পেঁয়াজ ৯ হাজার ৮০০ হেক্টরে এবং চারা পেঁয়াজ ৩৯ হাজার ৬২০ হেক্টরে লাগানো হবে। জেলার সবচেয়ে বেশি সুজাগর উপজেলায় ১৮ হাজার ৪০০ হেক্টরে এবং সাঁথিয়া উপজেলায় ১৬ হাজার ৯৭০ হেক্টরে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সাঁথিয়া উপজেলার বোয়াইলমারী গ্রামের কৃষক সরোয়ার হোসেন জানান, এখন মুড়ি বা মূলকাটা পেঁয়াজ লাগানো হচ্ছে। আরও ১০-১৫ দিন চলবে এই পেঁয়াজ লাগাতে। তবে চারা পেঁয়াজ লাগানোর এখনো এক মাস দেরি হবে। এখন চারা পেঁয়াজের বীজতলা প্রস্তুত চলছে। এর পাশাপাশি উঁচু জমিগুলো চাষ দিয়ে প্রস্তুত করা হচ্ছে। পেঁয়াজ লাগানোর জন্য জমি প্রস্তুত করতে একটি জমিতে সাত-আটটি চাষ দিতে হয়। সরকার থেকে কৃষকদের বীজ ও কিছু সার দিচ্ছে। এতে কৃষকরা কিছুটা উপকৃত হচ্ছেন।

সাঁথিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জীব কুমার গোস্বামী জানান, কৃষি বিভাগ থেকে সব সময়ই কৃষকদের বিভিন্ন ফসল উৎপাদনে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হয়ে থাকে। এ বছরও সাঁথিয়া উপজেলার কৃষকদের পেঁয়াজ আবাদে উৎসাহিত করতে সরকারিভাবে ১৫০ জন কৃষকের প্রত্যেককে এক বিঘার জমির জন্য এক কেজি বীজ এবং ৩০ কেজি করে সার প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া উপজেলায় উন্নত জাতের ৪০টি প্রদর্শনী খামার পেঁয়াজ চাষের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। সুজানগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ময়নুল হক সরকার জানান, পাবনা জেলার সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয় সুজানগর উপজেলায়। সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত কৃষি প্রণোদনা বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি পেঁয়াজের ভালো ফলনের জন্য বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক আজাহার আলী জানান, যেসব ফসলের চাহিদা বেশি থাকে, সব সময়ই সেসব ফসল বেশি করে উৎপাদনের জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। এ বছরও কৃষকদের বেশি করে পেঁয়াজ আবাদের জন্য কৃষি প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে।

advertisement