advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রাজশাহীতে উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেই

আমজাদ হোসেন শিমুল রাজশাহী
১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০৬
advertisement

উৎপাদিত পেঁয়াজে দেশের চাহিদা কখনই মেটেনি। প্রতিবছরই আমদানি করতে হচ্ছে। কিন্তু এবার প্রেক্ষাপট একটু ভিন্ন। সংকট থাকার পরও সময়মতো পেঁয়াজ আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তার ওপর বাজারে আছে সিন্ডিকেটের কারসাজি। ফলে শেষ মুহূর্তে এসে আমদানি করে দেশে পেঁয়াজের চাহিদা মেটানো যাচ্ছে না। এ কারণ পেঁয়াজের বাজারে স্মরণকালের ভয়াবহ আগুন জ্বলছে। রাজশাহী পেঁয়াজ উৎপাদনকারী জেলাগুলোর একটি।

এ জেলায় চাহিদার চার গুণ বেশি পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়। দেশের সামগ্রিক চাহিদা বিবেচনায় ও সংকট মোকাবিলায় এ জেলায় এবার উৎপাদন বাড়ানোর কোনো উদ্যোগ নেই। স্থানীয় কর্মকর্তা ও চাষিদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া গেছে।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীতে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১৫ হাজার ৫৪৫ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছিল। উৎপাদন হয়েছিল ২ লাখ ১০ হাজার টন। আর জেলায় পেঁয়াজের চাহিদা ৫৫ থেকে ৬০ হাজার টন। তবে এ বছর রাজশাহীতে গত বছরের চেয়ে সামান্য বেশি পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মোছা. উম্মে সালমা বলেন, চলতি অর্থবছরে রাজশাহীতে ১৫ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পেঁয়াজের ফলন কীভাবে আরও বৃদ্ধি করা যায়, সে ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো দিকনির্দেশনা আছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়ানোর ওইভাবে কোনো নির্দেশনা নেই। কেননা রাজশাহীতে তো এমনিতে প্রয়োজনের চেয়ে চার গুণ বেশি পেয়াজ উৎপাদন হচ্ছে। তবে প্রতিবছর রাজস্ব খাতে আমাদের প্রদর্শনী থাকে। এবার আমরা পেঁয়াজের প্রদর্শনী নিয়েছি। সেখানে আমাদের পেঁয়াজের উৎপাদন কিছুটা বাড়বে।

এই কর্মকর্তা আরও বলেন, বর্তমানে পেঁয়াজের যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে, এটি একটি জাতীয় সমস্যা। তাই যেসব এলাকায় পেঁয়াজ চাষ করা হয়, সেসব এলাকায় পেঁয়াজের উৎপাদন বৃদ্ধিতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। তা হলেই এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।

advertisement