advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রুহেলের রেকর্ড

ক্রীড়া প্রতিবেদক
১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০৭
advertisement

বয়স ১৮ বছর। প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতাও কম। মাত্র তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নামা রুহেল মিয়া ৮ উইকেট শিকার করে রেকর্ড বইয়ে নাম লিখিয়েছেন। মৌলভীবাজার থেকে উঠে আসা এই তরুণ পেসার চলমান ওয়ালটন জাতীয় লিগে সিলেট বিভাগের হয়ে খেলছেন। ষষ্ঠ রাউন্ডের প্রথম দিনেই বিধ্বংসী বোলিং করে সব আলো কেড়ে নিয়েছেন রুহেল। বগুড়ায় চট্টগ্রাম বিভাগের বিপক্ষে আগুনে বোলিং করেছেন এই পেসার। তার গতির ঝড়ে উড়ে গেছে চট্টগ্রামের ব্যাটসম্যানরা। প্রথম ইনিংসে বন্দরনগরীর দল অলআউট হয়েছে ৩৫.১ ওভারে ১০৬ রানে। দ্বিতীয় স্তরের এই ম্যাচে রুহেলের বোলিং ফিগার ছিল ১৪.১-৪-২৬-৮। দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে কোনো পেসারের এটিই সেরা বোলিং ফিগার। ২০১২ সালে রংপুরের বিপক্ষে ৩৫ রানে ৮ উইকেট পেয়েছিলেন ঢাকা মেট্রোর তালহা জুবায়ের। ৫০-এর চেয়ে কম রান দিয়ে আর কোনো পেসার ৮ উইকেট নিতে পারেননি। জবাবে ব্যাটিংয়ে নামা সিলেটের প্রথম দিনশেষে সংগ্রহ ১৮৬/৫। অমিত ৫৫ ও অলক কাপালি ৪১ রান করেন। গালিব ২৮ ও রাহাতুল ৮ রানে অপরাজিত আছেন। ২৩ বছর বয়সী পেসার ইরফান হোসেন ৪ উইকেট পান।

শতরানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন তাইবুর রহমান। ফিফটি করেছেন আবদুল মাজিদ ও শুভাগত হোম। এক সেঞ্চুরি ও দুই ফিফটিতে প্রথম ইনিংসে ঢাকা বিভাগের স্কোর দাঁড়িয়েছে ২৭৩/৭। খুলনার বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের লড়াই প্রথম দিনেই জমে উঠেছে। ৫.৮৬ পয়েন্টে পিছিয়ে থাকা ঢাকাকে শিরোপা জিততে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। খুলনায় টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা ঢাকা দলীয় ৪৭ রানে ৩ উইকেট হারায়। তবে মাজিদ (৬৬), তাইবুর (১১০) ও শুভাগতের (৫৬*) ব্যাটিং দৃঢ়তায় ঘুরে দাঁড়ায় দল। তাইবুরের সেঞ্চুরির ম্যাচে বল হাতে উজ্জ্বল আবদুল হালিম। খুলনার ২১ বছর বয়সী এ পেসার ২৭ রানে ৫ উইকেট পেয়েছেন।

রংপুরের বড় স্কোরের পথে বাধা পেসার দেলোয়ার হোসেন ও মোহর শেখ। রাজশাহীতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা রংপুরের হয়ে সেঞ্চুরি করেছেন সোহরাওয়ার্দী শুভ (১০৫)। ফিফটি রানের ইনিংস খেলেছেন আরিফুল হক। নাঈমের ব্যাট থেকে এসেছে ৪০ রান। তার পরও দলীয় স্কোর ৩০০ হয়নি! প্রথম দিনের পর্দা নামার সময় রংপুরের সংগ্রহ ২৬৩/৮। দেলোয়ার ৪ ও মোহর ৩ উইকেট পান।

advertisement