advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বাফুফের এজিএম সম্পন্ন

ক্রীড়া প্রতিবেদক
১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০৭
advertisement

বার্ষিক সাধারণসভা (এজিএম) ডেকে তিন বছরের অডিট রিপোর্ট একসঙ্গে পাস করিয়ে নিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। গতকাল গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সারাহ রিসোর্ট সেন্টারে এজিএম অনুষ্ঠিত হয়। এজিএমে ১৩৮ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ১৩৫ জন উপস্থিত ছিলেন।

বাফুফে তিন বছরের বাজেট রিপোর্ট অডিট করেছে ভিন্ন তিন কোম্পানিকে দিয়ে। ২০১৬ সালের বাজেট রিপোর্ট অডিট করা হয়েছিল এমআর খান কোম্পানির মাধ্যমে। পরের বছর আতিক অ্যান্ড কোং, আর ২০১৮ সালের অডিট রিপোর্ট তৈরি করা হয় মিজান ইসলাম অ্যান্ড কোং-এর মাধ্যমে। এক কোম্পানিকে দিয়ে না করিয়ে ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানিকে দিয়ে কেন করানো হলোÑ এ নিয়ে কিছুটা ক্ষোভ রয়েছে বেশ কয়েকজন কাউন্সিলের। তবে এ ব্যাপারে বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী এমপির ব্যাখ্যা ছিল এ রকম, ‘ব্যক্তিগত কারণে ২০১৮ সালে আতিক অ্যান্ড কোং নিরীক্ষা করতে রাজি হয়নি। তাই অন্য কোম্পানির মাধ্যমে নিরীক্ষা করা হয়েছে।’

২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের খরচ দেখানো হয়েছে ৬ কোটি ৬১ লাখ ১৫ হাজার টকা। অথচ আয়ের কোনো খাতই দেখানো হয়নি। এ নিয়েও অসন্তোষ ছিল কাউন্সিলরদের মাঝে। বাফুফের আর্থিক অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে বরাবরই সোচ্চার সহ-সভাপতি বাদল রায়। কাল এজিএমে উপস্থিত থাকলেও তাকে কথা বলতে দেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে। বাফুফের আর্থিক দুর্নীতি বিষয়ে বরাবরই মন্তব্য করে আলোচনায় রয়েছেন বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব এবং বাংলাদেশ ক্লাব সমিতির সভাপতি তরফদার মো. রুহুল আমিন। এজিএম শেষে তিনি জানান, অডিট নিয়ে আপত্তি ছিল। তার পরও সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদীর অনুরোধে এবং ফুটবলের স্বার্থে আমি বাজেটে অনুমোদন দিয়েছি।’ এ বিষয়ে সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘ভবিষ্যতে অডিটের সমালোচনার বিষয়গুলো আমরা গুরুত্ব দেব। এ ছাড়া প্রতিবছর এজিএম করার চেষ্টা করব।’

advertisement