advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

পর্দা নামল মহোৎসবের

চপল মাহমুদ
১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০১:৪৮
advertisement

লোকসংগীতের সুরের চিরন্তন আবেদন নিয়ে পঞ্চমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়ে গেল তিন দিনব্যাপী ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক লোকসংগীত উৎসব ২০১৯’। অগণিত দর্শক-শ্রোতাকে সুরের স্রোতে ভাসিয়ে গতকাল রাতে রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে এ আসরের পর্দা নেমেছে। শেকড়ের সুরে ঐতিহ্যের খোঁজে নিজ সংস্কৃতিকে তুলে ধরার প্রয়াস ছিল এ আয়োজন।

গত রাতে সমাপনী আসরের শুরুতেই কাওয়ালি ও দেহতত্ত্বের গান নিয়ে মঞ্চে আসেন দেশের খ্যাতিমান কাওয়ালি ঘরানার শিল্পী আবদুল মালেক কাওয়াল। সুফি ঘরানার গান ‘ইশকে নবী ক্যায়া ভুল গায়ি’ দিয়ে সুরের ঝাঁপি খোলেন এই শিল্পী। এরপর তিনি পরিবেশন করেন আরও কয়েকটি গান।

সমাপনী রাতের দ্বিতীয় রাতের পরিবেশনা নিয়ে মঞ্চে আসে ২০০৩ সালে যাত্রা শুরু করা রাশিয়ার লোকগানের দল ‘সাত্তুমা’। ম্যান্ডোলিন, বাঁশি, ভায়োলিনের সংযোগে ‘নিওফোক’ ধরনের গান পরিবেশন করে এই ব্যান্ড দলটি। রাশিয়ার পর ইউরোপের বিভিন্ন দেশের লোকসংগীতও পরিবেশন করে দলটি। এরপর মঞ্চে আসেন বাংলাদেশের চন্দনা মজুমদার।

সবশেষে মঞ্চে আসেন রাতের প্রধান আকর্ষণ পাকিস্তানের ব্যান্ড ‘জুনুন’। সুফি ও রক ঘরানার ফিউশন ঘটিয়ে সংগীতের এই মিলনমেলায় মুগ্ধতা ছড়িয়ে দেয় ব্যান্ডটি। ১৯৯৭ সালে ‘আজাদী’ অ্যালবামটি দিয়ে উপমহাদেশের সংগীতের ভুবনে রেকর্ড তৈরি করেছিল পাকিস্তানের এই ব্যান্ড। জুনুনের পরিবেশনা মধ্য দিয়ে শেষ হয় তিন রাতের ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক লোকসংগীত উৎসব’।

সান ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এবারের উৎসবের স্পন্সর ছিল মেরিল। এবারের উৎসবে অংশ নিয়েছেন ছয় দেশের দুই শতাধিক শিল্পী। তিন রাতের এই আসরটি সরাসরি সম্প্রচার করেছে মাছরাঙা টেলিভিশন।

advertisement