advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর প্রয়াণ

১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০৯
advertisement

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী [১৮৫৩-১৯৩১] প্রাচ্যবিদ্যা বিশারদ, সংস্কৃতি ভাষার প-িত। ১৮৫৩ সালের ৬ ডিসেম্বর জন্ম। তার পরিবারের আদি নিবাস ছিল খুলনা জেলার কুমিরা গ্রামে। তিনি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আশ্রয়ে থেকে সংস্কৃত কলেজে পড়াশোনা করেন। ১৯২১ সালের ১৮ জুন নব প্রতিষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগের প্রধান অধ্যাপক পদে যোগদান করেন এবং এখান থেকে অবসর নেন ১৯২৪ সালের ৩০ জুন। ১৯৩১ সালের ১৭ নভেম্বর তার মৃত্যু হয়।

প্রাচীন সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যের পরিচয় উদ্ধারে হরপ্রসাদের অবদান দৃষ্টান্তমূলক। তিনি প্রায় দশ হাজার পুঁথির বিবরণাত্মক সূচি প্রণয়ন করেন। রাজস্থান অঞ্চল থেকে তিনি ভাট ও চারণদের পুঁথি সংগ্রহ করেন। সংস্কৃত পুঁথি সন্ধানের সূত্রেই তার আগ্রহে প্রাচীন বাংলা পুঁথি সংগ্রহের কাজ শুরু হয় এবং এ বিষয়ে তাকে সাহায্য করেন দীনেশচন্দ্র সেন এবং মুনশি আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ।

১৯০৭ সালে তার হাতে আসে বাংলার প্রাচীনতম কবিতা-সংগ্রহ চর্যাগীতির পুঁথি। রচনাগুলো গবেষণা করে তিনি আবিষ্কার করেনÑ গানগুলোর ভাষা প্রাচীন বাংলা। ১৯১৬ সালে হাজার বছরের পুরান বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা গ্রন্থে দুটি দোহা কোষ ও ডাকর্নব পুঁথির সঙ্গে চর্য্যাচর্য্যবিনিশ্চয় পুঁথি হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। চর্য্যাচর্য্যবিনিশ্চয় বা চর্যাগানের সংকলনটি আবিষ্কার ও সম্পাদনা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণায় তার শ্রেষ্ঠ কীর্তি। আমাদের সময় ডেস্ক

advertisement