advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ঢাকার এ উৎসব আলাদা মর্যাদা পেয়েছে বিশ্বে - আমাদের সময়কে ‘জুনুন’

১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০১:১৫
আপডেট: ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০১:২২
advertisement

ফোক ফেস্টের শেষ রাতে পারফরম করেছে পাকিস্তানি জনপ্রিয় ব্যান্ড দল জুনুন। ঢাকার এক অভিজাত রেস্তোরাঁয় আমাদের সময়ের সঙ্গে একান্ত আলাপে অংশ নেন ব্যান্ডের তিন সদস্য সালমান আহমেদ, ব্রায়ান ওকোননেল ও আলী আজমত। সাক্ষাৎকার নিয়েছেনÑ ফয়সাল আহমেদ
ষ এর আগে একবার ঢাকায় এসেছিলেন
ষষ প্রায় ৫ বছর আগে এসেছিলাম। কিন্তু এবার সবকিছুই নতুন মনে হচ্ছে। শহরে অনেক নতুনত্ব এসেছে। আগেরবার রিকশায় শহরে ঘুরেছিলাম। তখন শহরটা ছোট ছিল।
এখন এত বড় হয়েছে!
ষ তা হলে তো এবারের ঢাকা সফরের অনুভূতি অন্যরকম?
ষষ এখানে আসতে আমাদের বরাবরই ভালো লাগে। তবে এবারের সফরটি একটু হলেও ভিন্নরকম। কারণ এবার আমাদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যরাও এসেছে। তারা চল্লিশ-পঞ্চাশ হাজার দর্শকের সামনে আমাদের পরিবেশনা দেখবেন। একই সঙ্গে দেখার সুযোগ পাবেন, আমাদের গান নিয়ে এ দেশের দর্শকের প্রতিক্রিয়া কী।
ষ ফোক ফেস্টে অংশ নেওয়ার ভাবনা মাথায় এলো কীভাবে?
ষষ আন্তর্জাতিক এ উৎসব সম্পর্কে সারাবিশ্বে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের মধ্যে ঢাকার এ উৎসব আলাদা এক মর্যাদা পেয়েছে। এর আগেও বেশ কিছু পাকিস্তানি ব্যান্ড ও শিল্পী এখানে পারফরম করেছেন। তাদের কাছে এ আয়োজন নিয়ে অনেক ইতিবাচক কথা শুনেছি। তাই এবার যখন আমাদের দলকে প্রস্তাব জানানো হলো, খুব সাদরেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করি। সত্যি বলতে এ উৎসবে অংশ নিতে পেরে আমরা আনন্দিত।
ষ দক্ষিণ এশিয়ার মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে দীর্ঘদিন ধরে ‘জুনুন’ স্বকীয়তা ধরে রেখেছে। এ অঞ্চলের বর্তমান সংগীতচর্চা নিয়ে আপনাদের মূল্যায়ন কী?
ষষ শুধু দক্ষিণ এশিয়া নয়, সারাবিশ্বের সংগীত ইন্ডাস্ট্রিতে এক ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এখন অনেক আধুনিক প্রযুক্তি গানে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটিকে আমি ইতিবাচকভাবেই দেখি। তবে পশ্চিমা বিশ্বের তুলনায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তান ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ায় ব্যান্ডচর্চা তুলনামূলক কম হয়। পার্শবর্তী দেশগুলো বলিউডের গানে প্রভাবিত। তবে ভারতে এখন কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে সিনেমার বাইরেও অনেক অপরিচিত শিল্পী সামনে আসছেন। শ্রোতারা তাদের গান গ্রহণও করছে। এখন ভারতেও আগের চাইতে অনেক বেশি কনসার্ট হয়। আবার ভৌগোলিক অবস্থার কারণে ভারত দক্ষিণ এশিয়ার সংগীতে কিছুটা প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছে। তবে আগেই বলেছি, তাদের ইন্ডাস্ট্রিতে পরিবর্তন আসছে।
ষ আপনারা শুরু থেকে সুফি গানকে প্রাধান্য দিয়েছেন। কিন্তু সুফির সঙ্গে রক ফিউশন করার পেছনে বিশেষ কোনো কারণ আছে?
ষষ সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলতে গেলে পরিবর্তন আনা জরুরি বলেই আমরা মনে করি। সুফি গানে যে কালাম আছে, তা খুব সহজেই মনকে নাড়া দেয়। আল্লামা ইকবাল, বুন্দেহ শাহসহ আরও যত সুফি গানের সাধক আছেন, তাদের সবার গানেই বিষয়টি স্পষ্ট। এক কথায় সুফি গান পাকিস্তানি সংগীতের শক্তি। তাই আমরা যারা বিশে^র নানা প্রান্তে এ সংগীত ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি, তারা সমকালীন জনপ্রিয় সংগীতের ধারাকেই বেছে নিয়েছি। অনেকে সফল হয়েছেন, অনেকে ব্যর্থ। সুফির সঙ্গে রকের ফিউশন করে আমরা শ্রোতার মনে নাড়া দিতে পেরেছি বলেই এটিকে নিজস্ব গানের ধরন করে নিয়েছি।

advertisement