advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

হলি আর্টিজানে হামলায় রায় ২৭ নভেম্বর

আদালত প্রতিবেদক
১৮ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৮ নভেম্বর ২০১৯ ০০:৫৬
advertisement

হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় নৃশংস জঙ্গি হামলা চালিয়ে ২২ জনকে হত্যা মামলার রায় ২৭ নভেম্বর। গতকাল রবিবার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এ তারিখ ঠিক করেন।

এদিন মামলাটিতে ৫ আসামির পক্ষে আইনজীবীরা যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। অভিযুক্তদের নির্দোষ দাবি করে তাদের বেকসুর খালাস প্রার্থনা করেন তারা। যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায় ঘোষণার তারিখ জানান বিচারক।

২০১৬ সালের ১ জুলাই পবিত্র রমজানের রাতে গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বেকারিতে ওই জঙ্গি হামলায় নিহত হয়েছিলেন ১৭ বিদেশিসহ ২০ জন। এ ছাড়া হামলার শুরুতেই জঙ্গিদের ছোড়া গ্রেনেডে রেস্তোরাঁর বাইরে প্রাণ হারান দুই পুলিশ কর্মকর্তা। পরে কমান্ডো অভিযানে হামলাকারী পাঁচ

জঙ্গি মারা পড়ে। তারা হলোÑ রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, মীর সামেহ মোবাশ্বের, নিবরাজ ইসলাম, শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল ও খায়রুল ইসলাম পায়েল।

গতকাল নব্য জেএমবির অস্ত্র ও বিস্ফোরক শাখার প্রধান মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, জাহাঙ্গীর আলম রাজীব ওরফে রাজীব গান্ধী, মামুনুর রশীদ রিপন, শফিকুল ইসলাম খালেদ ও হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী আব্দুস সবুর খান ওরফে সোহেল মাহফুজের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। আসামিপক্ষে আইনজীবী মো. দেলোয়ার হোসেন এবং মো. খালেদ হোসেন সরকার রুমি যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। গত ১৩ নভেম্বর হামলার মূল সমন্বয়ক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক তামিম চৌধুরীর সহযোগী আসলাম হোসেন রাশেদ ওরফে আবু জাররা ওরফে র‌্যাশ, অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহকারী নব্য জেএমবি নেতা হাদিসুর রহমান সাগর ও জঙ্গি রাকিবুল হাসান রিগ্যানের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। গতকাল ৮ আসামিকেই ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এর আগে গত ৬ ও ৭ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ৮ আসামিরই মৃত্যুদ- দাবি করে।

মামলাটিতে ১১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গত ৩০ অক্টোবর আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি হয়। ওইদিন ৮ আসামিই নিজেদের নির্দোষ দাবি করে বেকসুর খালাস প্রার্থনা করে।

দুই বছরের বেশি সময় ধরে মামলাটি তদন্ত করেন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের পরিদর্শক হুমায়ুন কবির। তিনি ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই হামলায় জড়িত ২১ জনকে চিহ্নিত করে তাদের মধ্যে জীবিত আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। ২৬ নভেম্বর আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ৩ ডিসেম্বর মামলার বাদী এসআই রিপন কুমার দাসের জবানবন্দি গ্রহণের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

advertisement