advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আরাফাত সানিকে পেটালেন শাহাদাত!

স্পোর্টস ডেস্ক
১৮ নভেম্বর ২০১৯ ১৭:১৪ | আপডেট: ১৮ নভেম্বর ২০১৯ ২১:২০
শাহাদাত হোসেন
advertisement

ক্রিকেট ভদ্র লোকের খেলা। কিন্তু মাঝে মধ্যে ক্রিকেটে অভদ্রসূলভ আচরণ করে থাকেন কোনো কোনো খেলোয়াড়। বিশ্বের বিভিন্ন ক্রিকেট খেলুড়ে দেশে এ ঘটনা আগে ঘটেছে। বাদ যায়নি বাংলাদেশও। মাঠে বা মাঠের বাইরে মারধর বা গালাগালের ঘটনা ঘটেছে। জাতীয় দলের খেলোয়াড় সাব্বির রহমান পিটিয়েছিলেন দর্শককে। এবার নিজ দলের সতীর্থকে পেটালেন পেস বোলার শাহাদাত হোসেন।

মারধরের শিকার খেলোয়াড়ের নাম আরাফাত সানি! অবাক করার মতো হলেও এই সানি জাতীয় দলের আরাফাত সানি নন। গতকাল রোববার খুলনায় খুলনা ও ঢাকা বিভাগের মধ্যকার জাতীয় লিগের ম্যাচে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর শাহাদাতকে মাঠ থেকে বের করে দেন ম্যাচ রেফারি আখতার আহমেদ। ‘লেভেল-৪’ এর মতো বড় অপরাধের কারণে এই শাস্তি পান শাহাদাত। তবে শেষ হয়নি তার শাস্তি। পেতে পারেন সর্বনিম্ন এক বছর থেকে পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা। সঙ্গে ম্যাচ ফি’র পুরোটা জরিমানা তো আছেই।

কী ঘটেছিল?

খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে খেলা চলছিল খুলনা ও ঢাকা বিভাগের মধ্যকার জাতীয় লিগের ম্যাচ। ঢাকার পেসার শাহাদাত বল করছিলেন। নিজের স্পেলে এসে আরাফাত সানি জুনিয়রকে বল ‘শাইন’ করে দিতে বলেন। তবে অনীহা প্রকাশ করেন সানি জুনিয়র। এতে ক্ষেপে যান শাহাদাত। বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সানিকে চড়-থাপ্পড়, লাথি মরেন তিনি। এ সময় সতীর্থরা এসে সানিকে বাঁচান।

ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে আম্পায়ারের আবেদনে শাহাদাতকে মাঠ থেকে বের করে দেন ম্যাচ রেফারি আখতার আহমেদ। ম্যাচটির জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন তিনি। পরে ম্যাচ মাঠে গড়ালেও ঢাকা খেলেছে ১০ জন নিয়ে।

কী শাস্তি পেতে পারেন শাহাদাত?

‘লেভেল-৪’ ক্রিকেটীয় অপরাধের বড় স্তর। এমন অপরাধে অভিযুক্ত খেলোয়াড়ের শাস্তি এক থেকে চার বছরের নিষেধাজ্ঞা। সঙ্গে ম্যাচ ফি’র পুরো জরিমানা।

আম্পায়ার্স কমিটির প্রশিক্ষক অভি আবদুল্লাহ গণমাধ্যমে জানান, লেভেল-৪ ঘটলে ক্রিকেটারকে মাঠ থেকে বের করে দিতে পারেন আম্পায়ার। শাহাদাতকে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হয়। তিনি আর কোনো ম্যাচে অংশ নিতে পারবেন না। গতকালই ঘটনার প্রতিবেদন জমা হয়েছে। আজ সেটি কার্যকর হয়েছে।

জানা গেছে, শাহাদাতের বিরুদ্ধে করা প্রতিবেদনটি বর্তমানে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) টেকনিক্যাল কমিটি প্রধান মিনহাজুল আবেদীনের হাতে আছে। কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে শাহাদাতের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বল শাইন করা নিয়ে সানির সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। সানিও তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। তিনি খারাপ ভাষায় উত্তর দেওয়ায় ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন শাহাদাত। পরে তাকে চড়-থাপ্পড় দেন।

শাস্তির ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে শাহদাত বলেন, ‘এবারের জাতীয় লিগে আমার আর খেলা হচ্ছে না। আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আমি জানি না, ভবিষ্যতে আমার জন্য কী অপেক্ষা করছে।’

এর আগে শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে শিরোনাম হয়েছিলেন শাহাদাত হোসেন। শাস্তিও পেয়েছিলেন কয়েকবার। তা ছাড়া পরিচারিকাকে মারধরের অভিযোগে হাজতবাসও করেছিলেন জাতীয় দলের এই পেসার।

advertisement