advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ঘুষসহ গ্রেপ্তার নৌপ্রকৌশলীর বিদেশযাত্রায় বাধা

আদালত প্রতিবেদক
১৯ নভেম্বর ২০১৯ ১৬:২৯ | আপডেট: ১৯ নভেম্বর ২০১৯ ১৬:২৯
একেএম ফখরুল ইসলাম (ডানে)। ফাইল ছবি
advertisement

ঘুষের পাঁচ লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার নৌ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও শিপ সার্ভেয়ার একেএম ফখরুল ইসলামের বিদেশযাত্রার আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার আসামির আইনজীবী তার চিকিৎসার জন্য বিদেশযাত্রার আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।

জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১৫ জুলাই মামলাটিতে জামিনে থাকা এ আসামির বিচার চার্জগঠনের মাধ্যমে ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে শুরু হয়।

আজ মঙ্গলবার মামলাটিতে সাক্ষ্য গ্রহণের ধার্য দিনে মো. নূর আলম নামে দুদকের এক উপসহকারী পরিচালক সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি দুদকের ওই ঘটনার ফাঁদ টিমের সদস্য হিসেবে সাক্ষ্য দেন। তার সাক্ষ্যের পর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান আগামী ৮ ডিসেম্বর পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ঠিক করেন।

মঙ্গলবার সাক্ষ্য শেষ হওয়ার পর অ্যাডভোকেট আমিনুল গণি টিটো ও প্রকাশ রঞ্জন বিশ্বাস আসামি একেএম ফখরুল ইসলামকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ গমনের অনুমতি প্রার্থণা করেন। কিন্তু আদালত শুনানি শেষে তা নামঞ্জুর করেন।

ওই মামলার দুদকের প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বলেন, মামলাটিতে এর আগে বিভিন্ন সময় বাদী দুদকের সহকারী প্রকৌশলী মো. আবদুল ওয়াদুদসহ ১১ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলায় মোট ২১ জনের সাক্ষী রয়েছে।

মামলাটিতে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মনিরুল ইসলাম চার্জশিট দাখিল করেন। এর আগে একই বছর ১৮ জুলাই নৌ মন্ত্রণালয়ের সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ঘুষগ্রহণকালে ফখরুল ইসলামকে হাতেনাতে আটক করে দুদকের একটি দল। পরদিন তার দুই দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর হয়। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে তিনি জামিন পান।

মামলায় বলা হয়, বেঙ্গল মেরিন অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসেস নামে একটি প্রতিষ্ঠান ২০১২ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ২২টি জাহাজের নকশা অনুমোদনের জন্য নৌপরিবহন অধিদপ্তরে আবেদন করে। কিন্তু জাহাজের আকারভেদে প্রতি নকশা অনুমোদনের জন্য বিভিন্ন সময়ে পাঁচ থেকে ১৬ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন প্রকৌশলী একেএম ফখরুল ইসলাম। সর্বশেষ ২০১৭ সালের ১৩ এপ্রিল এমভি নওফেল লিহান জাহাজের নকশা অনুমোদনের জন্য পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন ফখরুল। ওই প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে বেঙ্গল মেরিন কর্তৃপক্ষ তাকে দাবি করা ঘুষ দিতে সম্মত হয়ে বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনকে জানায়।

বিষয়টি জানার পর দুদকের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক নাসিম আনোয়ারের নেতৃত্বে বিশেষ দল ২০১৭ সালের ১৮ জুলাই সকাল থেকে ওই ভবনের চারদিকে অবস্থান নেয়। এরপর দুপুর ২টার দিকে ওই প্রতিষ্ঠানের অথরাইজড পারসন এএনএম বদরুল আলমের কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার পর ওই টাকাসহ হাতে নাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

advertisement