advertisement
International Standard University
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দুই মাসে ৩৪ কোটি টাকার মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস 

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ নভেম্বর ২০১৯ ১৭:৪৬ | আপডেট: ১৯ নভেম্বর ২০১৯ ১৭:৪৬
ছবি: সংগৃহীত
advertisement

বিগত দুই মাসে ৩৪ কোটি ৭ লাখ ৬৯ হাজার ১৪৩ কোটি টাকার মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করা হয়েছে বলে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের একটি প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের শুনানিতে‘মেয়াদোত্তীর্ণ ও নকল, ভেজাল ওষুধ বিক্রয়ে গৃহীত কার্যক্রম‘ শীর্ষক প্রতিবেদনটি আদালতে দাখিল করে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের ১ আগস্ট থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বিগত দুই মাসের মধ্যে ১৩ হাজার ৫৯৩টি ফার্মেসি পরিদর্শন করে মোবাইল কোর্টে মোট ৫৭২টি মামলা করা হয়। মেয়াদোত্তীর্ণ ও নকল ভেজাল ওষুধ সংরক্ষণের দায়ে ফার্মেসিগুলোতে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এক কোটি ৭৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

একইসঙ্গে মেয়াদোত্তীর্ণ ও নকল, ভেজাল ওষুধ সংরক্ষণের দায়ে দুইটি ফার্মেসি সিলগালা করা হয়েছে। আর এসময়  ৩৪ কোটি ৭ লাখ ৬৯ হাজার ১৪৩ কোটি টাকার মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করা হয়।

বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট শুনানির পরবর্তী আদেশের জন্য ১২ ডিসেম্বর দিন ঠিক করেছেন।

গত ১০ মে এক অনুষ্ঠানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, ঢাকা শহরের ৯৩ শতাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা হয়। গত ১৭ জুন এ বিষয়ে সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে আদালতে রিট করেন জাস্টিস ওয়াচ ফাউন্ডেশনের পক্ষে নির্বাহী পরিচালক সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাহফুজুর রহমান মিলন।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এবিএম আলতাফ হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কামরুজ্জামান কচি। বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার বলেন, ‘ইতিমধ্যে যাদের জেল জরিমানা করা হয়েছে, তারা আবার পুনরায় যদি একই ধরনের অপরাধে অভিযুক্ত হন, তখন তাদের বিরুদ্ধে স্পেশাল পাওয়ারস অ্যাক্টে মামলা দায়েরের জন্য ওনারা (আদালত) আজকে মৌখিকভাবে আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। যার সাজা যাবজ্জীবন এমনকি মৃত্যুদণ্ডও হতে পারে। ফলে যারা এ কাজের সঙ্গে জড়িত থাকবেন তাদের আমরা হুঁশিয়ার করে দিতে চাই।  আপনারা এ ধরনের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ করবেন না বিক্রি করবেন না এবং ভেজাল ওষুধ বিক্রির চেষ্টা করবেন না। প্রয়োজনে সরকার আদালতের নির্দেশ মোতাবেক আইনগত দায়িত্ব পালন করবে। আদালত ওষুধ প্রশাসনসহ সবাইকে একযোগে কাজ করতে বলেছেন। যেন বাংলাদেশের বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ ও ভেজাল ওষুধ বিক্রির সুযোগ সৃষ্টি না হয়। আদালত ওষুধ শিল্প সমিতিকে বলেছেন ইংরেজির পাশাপাশি যেন বাংলার মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ ও মূল্য লেখা থাকে সেটা বিবেচনা করতে।

advertisement