advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বিএনপির বেলা শেষ, ইস্যু খুঁজে বেড়াচ্ছে : কাদের

গাজীপুর সদর প্রতিনিধি
১৯ নভেম্বর ২০১৯ ২১:০৯ | আপডেট: ১৯ নভেম্বর ২০১৯ ২১:০৯
advertisement

শেষ বেলায় বিএনপি ইস্যু খুঁজে বেড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ মঙ্গলবার বিকেলে গাজীপুর জেলা শহরের রথখোলায় শহীদ বরকত স্টেডিয়ামে গাজীপুর জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

কাদের বলেন, ‘বিএনপির এখন বেলা শেষ। শেষ বেলায় তারা ইস্যু খুঁজে বেড়াচ্ছে। একটার পর একটা ইস্যু খুঁজে বেড়াচ্ছে। শেখ হাসিনা সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশন নিচ্ছেন ঘরের লোকের বিরুদ্ধেও। বিএনপির হাতে কোনো ইস্যু আমরা দেবো না, দেবো না।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে কোনো চুক্তি হয়নি। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সমঝোতা স্মারক হয়েছে। চুক্তি আর সমঝোতা স্বারক এক নয়। তাদের এখন ভারত বিরোধিতা কেন? আমরাতো জানি ভারতের অনুগত্য পাওয়ার জন্য বিএনপি ভিক্ষা চাইছে। তারা তাতে বারে বারে ব্যর্থ হয়ে এখন আওয়ামী লীগকে ভারতের সঙ্গে জড়িয়ে পুরোনো সেই সুরে নতুন খেলা শুরু করেছে। আমাদের বন্ধু ভারত। আমরা ভারতের প্রতি অনুগত্য দেই না। আমরা বন্ধুত্ব করেছি। আমাদের শক্তির উৎস আমাদের জনগণ। কোনো বিদেশি শক্তি আমাদের ক্ষমতায় বসাবে না।’

নিজ দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘দল ভারী করার জন্য খারাপ লোকদের পকেটে আনবেন না। এ খারাপ লোকেরা বসন্তের কোকিল। বসন্ত আসলে আসবে। আর ক্ষমতা চলে গেলে পাঁচ হাজার পাওয়ারের বাতি জ্বালিয়েও তাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না। আওয়ামী লীগ সুবিধাবাদীদের দল নয়। আওয়ামী লীগ আদর্শের দল। আদর্শ হচ্ছে আমদের শিকড়। আদর্শের শিকড় থেকে বিচ্যুত হলে আওয়ামী লীগ বাঁচবে না। আওয়ামী লীগ বাঁচবে আমরা যতদিন বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে আকড়ে ধরে রাখব। বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে। বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে।’

পেঁয়াজ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘পেঁয়াজের মূল্য এখন নিয়ন্ত্রণে এসে যাচ্ছে। দাম কমে যাচ্ছে। ইনশাল্লাহ পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক হবে। লবণ নিয়েও অনেকে কারসাজি শুরু করেছে। লবণের মূল্যও বাড়ছে। সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে হবে।’

মন্ত্রী আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ রাখুন। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আপনাদের এক থাকতে হবে। কমিটি গঠন করতে গিয়ে পকেট কমিটি করবেন না। কমিটি গঠন করতে গিয়ে দুঃসময়ের ত্যাগীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। অনুপ্রবেশকারী ক্লিন ইমেজধারীদের আমরা স্বাগত জানাব। কিন্তু দূষিত রক্তের আমাদের দলে দরকার নেই। সারা বাংলায় আওয়ামী লীগে বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন করতে হবে।’

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী (নওফেল), ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শ্রী সুজিত রায় নন্দী, সদস্য আখতারুজ্জামান, উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

advertisement