advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রোগ সারানোর নামে তরুণীকে ধর্ষণ করলেন সাধুবাবা!

অনলাইন ডেস্ক
২২ নভেম্বর ২০১৯ ১০:৪০ | আপডেট: ২২ নভেম্বর ২০১৯ ১০:৪০
প্রতীকী ছবি
advertisement

মানসিক রোগ সারানোর নাম করে ১৭ বছর বয়সী তরুণীকে দুই রাত ধরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক সাধুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সাধু পলাতক থাকলেও তার এক শিষ্যকে আটক করেছে পুলিশ। 

সম্প্রতি ভারতের দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলা থানার বিবেকানন্দ পল্লিতে এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম সাধু শেখর রায় ওরফে শেখর পাগল। তিনি বাংলাদেশি বলে দাবি করা হয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনে।

এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় আট বছর ধরে মানসিক রোগের শিকার বিবেকানন্দ পল্লির বাসিন্দা ১৭ বছরের এক তরুণী। বহু চিকিৎসা করিয়েছেন কিশোরীর বাবা-মা। কিন্তু কিছুতেই সুস্থ হয়নি সে। একপর্যায়ে প্রতিবেশী নিখিল হালদারের মাধ্যমে ওই তরুণীর বাবা-মার পরিচয় হয় বাংলাদেশ থেকে আসা এক সাধুর সঙ্গে।

প্রতিবেশী তাদের পরামর্শ দেন ওই সাধু ঝাড়ফুঁক করে দিলেই মেয়ে ভালো হয়ে যাবে। পরে মানসিক রোগের শিকার ওই তরুণীর বাবা-মা মেয়েকে নিয়ে সাধুর কাছে যান।

সাধু শেখর রায় ওরফে শেখর পাগল কিশোরীর বাবা-মাকে বলেন, তিন রাত মেয়েকে তার কাছে পাঠাতে হবে। তিনি ঝাড়ফুঁক করে দিলেই তাদের মেয়ে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবে। আর এতে রাজি হয়ে দুই রাত মেয়েকে ওই সাধুবাবার কাছে পাঠানও তারা। তৃতীয় রাতে মেয়ে সেখানে যেতে আর রাজি হয়নি। বাবা-মা কারণ জানতে চাইলে সে জানায়, পরপর দুই রাত ওই সাধু তাকে ধর্ষণ করেছে।

এরপর কিশোরীর বাবা-মা প্রতিবেশীদের সঙ্গে নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে সাধুর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া সেই শিষ্য নিখিল হালদারের বাড়িতে যান। তাকে সব ঘটনার কথা খুলে বলা হয়। তাকে সঙ্গে নিয়ে সাধুর বাড়িতে গিয়ে দেখেন, স্ত্রীকে নিয়ে সাধু শেখর পাগল উধাও। এরপর নিখিলকে ধরে মারধর শুরু করেন প্রতিবেশীরা।

খবর পেয়ে মহেশতলা থানার পুলিশ এসে নিখিলকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। নির্যাতিতা তরুণীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, সাধুর শিষ্য নিখিলকে আটক করে অভিযুক্তর সন্ধান পেতে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে। নির্যাতিতার পরিবার ভণ্ড সাধুর বিরুদ্ধে লিখিতভাবে থানায় অভিযোগ জানিয়েছে। পলাতক সাধুর খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

সাধু শেখর যাতে বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে না পারে, তার জন্য ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

advertisement