advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

স্বর্ণ চোরাচালানে জড়িত ইউএস বাংলার কর্মী

২৩ নভেম্বর ২০১৯ ০২:১২
আপডেট: ২৩ নভেম্বর ২০১৯ ০২:১২
advertisement

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনটি স্বর্ণবারসহ ইউএস-বাংলার কর্মী ওমর ফারুক এবং এক বিমানযাত্রীকে আটক করেছে ঢাকা কাস্টম হাউস। গতকাল বিকালে তাদের আটক করা হয়। একই দিনে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের শৌচাগারে কমোডের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৭০ পিস স্বর্ণের বিস্কুট। এদিকে সাতক্ষীরার কাকডাঙ্গা সীমান্ত থেকে ৪ কেজি ৬৭০ গ্রাম স্বর্ণ জব্দ করেছে বিজিবি।
জানা গেছে, শুক্রবার বেলা ৩টা ২০ মিনিটে রিয়াদ থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট নং-বিজি০০৪০-এর যাত্রী মামুন মিয়ার গতিবিধি সন্দেহ হলে কাস্টমস কর্মকর্তারা তাকে অনুসরণ করেন। একপর্যায়ে পর্যটন করপোরেশনের ডিউটি ফ্রি শপের ভেতরে গিয়ে ইউএস-বাংলার কাস্টমস সার্ভিস সহকারী ওমর ফারুকের কাছে তিনটি স্বর্ণবার হস্তান্তর করেন মামুন। এ সময় দুজনকেই হাতেনাতে ধরা হয়। আটককৃত স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
আমাদের চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, শাহ আমানত বিমানবন্দরের শৌচাগারে কমোডের ভেতর থেকে গতকাল ৭০ পিস
স্বর্ণের বিস্কুট উদ্ধার করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। পলিথিনে মোড়ানো ৮ কেজি ১৭০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণগুলোর বাজারমূল্য প্রায় চার কোটি টাকা। কাস্টমস কর্মকর্তাদের ধারণা, ধরা পড়ার ভয়ে টয়লেটে ফেলে নিরাপদে সরে যায় প্রবাস থেকে আসা স্বর্ণের চোরাকারবারি কিংবা বাহক।
শাহ আমানত বিমানবন্দর কাস্টমসের উপপরিচালক রিয়াদুল ইসলাম বলেন, ‘ওমানের রাজধানী মাসকাট থেকে আসা সালাম এয়ারের ওভি ৪০৭ ফ্লাইটের যাত্রীরা নামার পর পরিত্যক্ত অবস্থায় স্বর্ণগুলো উদ্ধার করা হয়। ধারণা করছি, ওই ফ্লাইটের কোনো যাত্রীর মাধ্যমে এগুলো এসেছে। গোপন সংবাদ থাকায় ওই ফ্লাইটের যাত্রীদের ওপর কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়। গ্রিন চ্যানেল পার হলেই চ্যালেঞ্জ করার প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি টের পেয়েই বহনকারী যাত্রী স্বর্ণের বারসহ পলিথিনের ব্যাগটি আগমন পথের ইমিগ্রেশন জোনের টয়লেটে ফেলে যায়।’
এদিকে বিজিবির সাতক্ষীরার কাকডাঙ্গা বিওপির নায়েক সুবেদার ওলি জানান, সীমান্তে তাদের একটি দল টহল দিচ্ছিল। এ সময় বিজিবি সদস্যদের দেখে মোটরসাইকেল ফেলে দুজন পালিয়ে যায়। মোটরসাইকেলটিতে একটি পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ৪ কেজি ৬৭০ গ্রাম স্বর্ণ পাওয়া যায়। পরে সেগুলো নিয়ে যাওয়া হয় সাতক্ষীরায় বিজিবির ৩৩ ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে। ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম মহিউদ্দিন খন্দকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

advertisement