advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শিশুর শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার হার কম বাংলাদেশে

আমাদের সময় ডেস্ক
২৩ নভেম্বর ২০১৯ ০২:১৩ | আপডেট: ২৩ নভেম্বর ২০১৯ ১১:০১
ফাইল ছবি
advertisement

বিশ্বজুড়ে ১১ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু-কিশোররা পর্যাপ্ত শারীরিক ব্যায়াম করছে না। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিশুদের স্বাস্থ্য, বাধাগ্রস্ত হচ্ছে তাদের মস্তিষ্কের বিকাশ ও সামাজিক দক্ষতা অর্জন। পড়াশোনায় ভালো করার জন্য প্রচণ্ড চাপে থাকায় শিশুদের মধ্যে এমন নিষ্ক্রিয়তা দেখা গেছে। বিশ্বজুড়ে ধনী-দরিদ্র-সব দেশেই এমনটা দেখা গেছে। এর মধ্যে বিশ্বে এমন নিষ্ক্রিতার হার সবচেয়ে কম বাংলাদেশে। তবে অন্যসব দেশের তুলনায় নিষ্ক্রিয়তার হার কম হলেও তা আতঙ্কজন। বাংলাদেশের অন্তত ৬৬ শতাংশ শিশু-কিশোর পর্যাপ্ত শারীরিক ব্যায়াম করছে না।

সম্প্রতি মেডিক্যাল সাময়িকী ‘ল্যান্সেট চাইল্ড অ্যান্ড অ্যাডোলেসেন্ট হেল্থ-এ প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) এক প্রতিবেদনে এমনটা বলা হয়েছে। ২০০১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ১৪৬ দেশের শিশু-কিশোরদের শারীরিক সক্রিয়তা পর্যবেক্ষণ করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে শিশু, কিশোর-কিশোরীরা প্রতিদিন পর্যাপ্ত ব্যায়াম করছে না। এটি একটি সর্বজনীন সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি তাদের গবেষণা প্রতিবেদনে এমনটি জানিয়েছে। ১৪৬ দেশে এই গবেষণা চালানো হয়েছে। শিশুদের শারীরিক চর্চা নিয়ে এটাই প্রথম বিস্তৃত কোনো গবেষণা।

প্রতিবেদন অনুসারে তুলনামূলকভাবে মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের শারীরিক চর্চার হার বেশি। শারীরিক চর্চার ক্ষেত্রে ডব্লিউএইচও এমন সব ধরনের কাজকর্ম বিবেচনায় নিয়েছে, যার মাধ্যমে হৃদস্পন্দন দ্রুত হয় এবং শ্বাস নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। যেমন-দৌড়ানো, সাইকেল চালানো, সাঁতরানো, ফুটবল খেলা, লাফানো ইত্যাদি। প্রতিদিন গড়ে এক ঘণ্টা এ ধরনের শারীরিক চর্চা আবশ্যক হিসেবে ধরে গবেষণা চালিয়েছে ডব্লিউএইচও।

ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, পর্যাপ্ত শারীরিক চর্চা না করলে শিশুদের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি স্বাস্থ্যে। কিশোরকালে শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকলে তা পরবর্তী জীবনে সুস্বাস্থ্য গঠনে সহায়তা করে।

পড়াশোনার চাপেই নিষ্ক্রিয়তা : বিশ্বজুড়ে শিশুদের মধ্যে শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা থাকার অন্যতম কারণ হচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার চাপ। ডব্লিউএইচওর প্রতিবেদনটির এক লেখক লিয়ানে রাইলি বলেন, ‘১১ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের পরীক্ষার জন্য প্রচুর পড়াশোনার চাপ দেওয়া হয়। কঠোর পরিশ্রম করতে বলা হয়। কখনো কখনো লম্বা সময় ধরে তাদের স্কুলে বসিয়ে রেখে ‘হোমওয়ার্ক’ করানো হয়। এতে তারা শারীরিকভাবে সক্রিয় হওয়ার সুযোগই পাচ্ছে না।

এ ছাড়া নিরাপদ, সহজলভ্য খেলা ও অবসরযাপনের জন্য স্থাপনার অভাবও শিশুদের শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার জন্য দায়ী। পাশাপাশি ফোন, ট্যাবলেট ও কম্পিউটারে ভিডিও গেম বাইরের খেলা কমিয়ে দিয়েছে।

advertisement