advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মাউন্ট এভারেস্টের সর্বোচ্চ শৃঙ্গে লাল সবুজের পতাকা

২৩ নভেম্বর ২০১৯ ০২:১৩
আপডেট: ২৩ নভেম্বর ২০১৯ ০২:১৩
advertisement

নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে মাউন্ট এভারেস্টের সর্বোচ্চ চূড়া ‘হিমলুং’ শৃঙ্গে লাল-সবুজের পতাকা উড়িয়ে এসেছেন পর্বতারোহী ইকরামুল হাসান। তবে যাত্রাটা তার সুখকর ছিল না। পথেই রেখে যেতে হয় আহত দলনেতা দুবারের এভারেস্ট জয়ী এমএ মুহিতকে। গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলা মাউন্টেইনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাব (বিএমটিসি) আয়োজিত অনুষ্ঠানে অভিযানের সেই গল্প শোনান ইকরাম। সাত হাজার মিটারের বেশি উচ্চতার পর্বতে এটাই ছিল তার প্রথম অভিযান।
কথার ফাঁকে আবেগাপ্লুুত হন হিমলুংজয়ী ইকরাম, ‘মুহিত ভাই যখন চোখে আঘাত পেয়ে ফিরে যাচ্ছিলেন, তখন তাকে রেখে আমি একা যাবÑ এটা ভাবতেও পারছিলাম না। তিনি যখন শেরপার কাছ থেকে পতাকা
বের করে আমাকে দিলেন, তখন মনে হলো পুরো বাংলাদেশটাই আমার হাতে তুলে দিয়েছেন। কী হবে এখন, আমি ঠিকভাবে ফিরে আসতে পারব তোÑ কিছুই তখন ভাবতে পারছিলাম না।’
অভিযানের শুরুতে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে গত ৫ অক্টোবর নেপালে পৌঁছান মুহিত আর ইকরামুল। তাদের সঙ্গে যোগ দেন পোল্যান্ড, স্পেন, সুইডেন ও সাউথ আফ্রিকার আরও আটজন। ৮ অক্টোবর দেশটির কোটো থেকে ট্রেকিং শুরু করে ১২ অক্টোবরে পৌঁছান ১৫ হাজার ৯১২ ফুট উচ্চতায় বেইজ ক্যাম্পে। এর পর ২০, ২১ ও ২২ অক্টোবর আরও তিনটি ক্যাম্প পেরিয়ে ২৩ অক্টোবর ভোর ৪টায় দুজন শেরপাকে সঙ্গে নিয়ে শুরু হয় দুই অভিযাত্রীর চূড়ান্ত আরোহণ। কয়েক ঘণ্টা পর উড়ন্ত তুষারকণায় চোখে আঘাত পান দলনেতা মুহিত। একজন শেরপাকে নিয়ে তিনি ফিরে যান তিন নম্বর ক্যাম্পে। অভিযান শেষ করার দায়িত্ব নিয়ে ইকরামুল হাসান এগিয়ে যান আরেক শেরপার সঙ্গে। কনকনে ঠা-ার মধ্যে বিপদসংকুল দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে ইকরামুল পৌঁছান হিমালয়ের ২৩ হাজার ৩৮০ ফুট উচ্চতার হিমলুং শৃঙ্গে। প্রথমবারের মতো পর্বত শিখরে উড়ান বাংলাদেশের পতাকা।
ইকরামুল হাসান এর আগে ঘুরে এসেছেন হিমালয়ের কেয়াজো-রি চূড়া। এমএ মুহিত এভারেস্টজয়ী পর্বতারোহী। অভিযানের আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর দুই অভিযাত্রীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল জাতীয় পতাকা। হিমলুং জয় করে এসে গতকাল তারা পতাকা প্রত্যার্পণ করেন আয়োজকদের হাতে।

 

 

advertisement