advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রাবি ভিসি কোন কর্তৃত্ববলে পদে বহাল, জানতে চান হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৭:০৭ | আপডেট: ৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৭:০৬
অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান। ছবি : সংগৃহীত
advertisement

অধ্যাপক ড. এম আব্দুস সোবহান কোন কর্তৃত্ববলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য (ভিসি) পদে বহাল রয়েছেন তা জানতে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব, শিক্ষা সচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সচিব, রাবির ভিসি ও রেজিস্টার, ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান ও ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতিসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাইনুল হাসান। আইনজীবী মো. মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন রুল জারির বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে রাবি উপাচার্যের পদে থাকার বৈধতা নিয়ে রিট করেন বিশ্ববিদ্যালয়টির কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক ছাত্র সালমান ফিরোজ ফয়সাল। গত ১৫ মে ওই ছাত্রের পক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আব্দুস সোবহানের অপসারণ চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। অসত্য তথ্য দিয়ে পুনরায় উপাচার্য পদে নিয়োগ ও স্বপদে থাকার অভিযোগ এনে এ নোটিশ পাঠানো হয়। পরে নোটিশ অনুযায়ী কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় গত ২৪ জুলাই এই রিট করা হয়।

রিটে বলা হয়েছে, অধ্যাপক ড. এম আব্দুস সোবহান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে ২০১৭ সালের ৭ মে চার বছরের জন্য দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ পান। ওইদিনই তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর একই বছরের ২১ জুন উপাচার্যের পক্ষ থেকে ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান ও ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। আবার ওইদিনই তিনি স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন। ফলে উপাচার্যের পদে সাময়িক শূন্যতা সৃষ্টি হয়। উপাচার্য পদে সাময়িক শূন্যতা পূরণকল্পে রাষ্ট্রপতির অনুমতি ছাড়াই একদিনের জন্য বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. আখতার ফারুককে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য নিয়োগ দেন। যা ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশের পরিপন্থী। নোটিশের জবাব না পাওয়ায় হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়।

advertisement