advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আগামী সপ্তাহ থেকে অনলাইন পোর্টালের নিবন্ধন শুরু : তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ ডিসেম্বর ২০১৯ ২০:২১ | আপডেট: ২ ডিসেম্বর ২০১৯ ২৩:৫৫
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। পুরোনো ছবি
advertisement

আগামী সপ্তাহ থেকে অনলাইন সংবাদমাধ্যমগুলোর (নিউজ পোর্টালগুলোর) নিবন্ধন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ‘দেশে যে অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলো আছে, সেগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনতে আমরা দরখাস্ত আহ্বান করেছিলাম। এখন পর্যন্ত তিন হাজার ৫৯৭টি আবেদনপত্র জমা পড়েছে। সেগুলো তদন্ত করার জন্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।’

আজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তথ্যমন্ত্রী এই তথ্য জানান।

ড. হাছান বলেন, ‘যাতে আমরা নিবন্ধনের কাজটি দ্রুত শুরু করতে পারি, এজন্য শিগগিরই তদন্ত শেষ করে তথ্য মন্ত্রণালয়কে জানানোর জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ইতিমধ্যে কয়েকশ অনলাইনের তদন্ত শেষ করেছে, সেই প্রতিবেদন আজ বা কালকের মধ্যে আমাদের কাছে পাঠাবে। আমরা আগামী সপ্তাহ থেকে অনলাইনগুলোর নিবন্ধন দেওয়া শুরু করব। এই প্রক্রিয়া শেষ করতে সময় লাগবে। কারণ সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি অনলাইনের তদন্ত শেষ করা সহজ কাজ নয় এবং কয়েকটি সংস্থাও এই তদন্ত করছে। যে কটির প্রতিবেদন আমরা পাবো, সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিবন্ধন দেওয়া শুরু করব।’

ভবিষ্যতেও এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতেও যেন কেউ অনলাইন নিউজ পোর্টাল করতে পারে, সেজন্য আমরা পরবর্তীতে আবারও দরখাস্ত  আহ্বান করব।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পত্রিকা বের করতে চাইলে যেমন নামের ছাড়পত্র নিতে হয়, অনলাইনের ক্ষেত্রেও একটি প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে হবে। প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে পত্রিকা যেমন যে কেউ যে কোনো সময় বের করতে পারে, ভবিষ্যতে তেমনি অনলাইনও বের করতে পারবে। আইপি টিভি, আইপি রেডিওর জন্যও আমরা দরখাস্ত আহ্বান করেছিলাম। এ ব্যাপারে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে সবাইকেই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।’

অনলাইন পত্রিকার ভিডিও কনটেন্ট এবং টিভি চ্যানেলগুলোর অনলাইন চালাতেও অনুমতি লাগবে বলে জানিয়েছেন ড. হাছান। তিনি বলেন, ‘এগুলো নিয়েও আমরা আলোচনা করেছি। সব একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনা হবে। কারণ যিনি যেটার লাইসেন্স পেয়েছেন, সেটার বাইরে যেতে পারবেন না। শুধু পত্রিকাগুলো যে অনলাইনে ভিডিও কন্টেন্ট করছে তাই নয়, টেলিভিশনগুলোও অনলাইন চালু করেছে। এখন পর্যন্ত সেটিরও অনুমতি নেই। সুতরাং সবকিছুকে একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনার জন্যেই আমরা প্রক্রিয়া শুরু করেছি।’

advertisement