advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মৃত্যুর পরও ধর্ষণ করা হয় সেই চিকিৎসককে!

অনলাইন ডেস্ক
৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ২০:২১ | আপডেট: ৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৯:৩১
ভারতের হায়দরাবাদে চিকিৎসককে গণধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার চার আসামি। ছবি : ইনডিয়া টুডে
advertisement

ভারতের হায়দরাবাদে এক তরুণী চিকিৎসককে গণধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা জানান, মৃত্যুর পর লরির কেবিনেও একে একে চারজনই ওই চিকিৎসককে ধর্ষণ করে।

ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হত্যার পর প্রমাণ সরিয়ে ফেলতে পেট্রল ঢেলে লাশের গায়ে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। এ মামলায় রিমান্ডে যাওয়া চার আসামি হলেন, আলিয়াস আরিফ, জল্লু শিবা, জল্লু নবীন এবং চেন্নাকেসাভুলু।

এদিকে, এ ঘটনার দ্রুত নিষ্পত্তি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠন করা হয়েছে। অভিযুক্তদের হয়ে কেউই মামলা লড়বেন না বলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সামশাবাদ বার অ্যাসোসিয়েশনের আইনজীবীরা।

পুলিশ জানায়, গত বুধবার সকালে হায়দরাবাদের সামশাবাদ টোলপ্লাজার সামনে স্কুটি রাখেন ওই তরুণী চিকিৎসক। সেখানে এক চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি। রাত সাড়ে ৯টার দিকে টোলপ্লাজার সামনে আসেন তরুণী চিকিৎসক। তিনি দেখেন, তার স্কুটির চাকা পাংচার হয়ে গেছে। সেই সময় দুজন লরিচালক এবং খালাসি তরুণীর কাছে আসেন। তারা তার স্কুটির চাকা সারিয়ে দেওয়ার কথা বলেন। তাদের কথায় বিশ্বাস করেন ওই চিকিৎসক।

স্কুটি সারাতে নিয়ে যান দুজন। কিন্তু গ্যারেজ বন্ধ থাকার কথা বলে স্কুটি নিয়ে ফিরে আসেন তারা। সেই সময় বোনের সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলেন চিকিৎসক। তিনি শেষবারের মতো বোনকে বলেন, তার ভয় লাগছে। তারপর থেকে ওই তরুণীর ফোন পাওয়া যায়।

তরুণীকে টেনেহিঁচড়ে অন্য জায়গায় নিয়ে যান ধর্ষকরা। এরপর সেখানে একে একে চারজন ধর্ষণ করেন তাকে। ধর্ষণের ফলেই মৃত্যু হয় ওই তরুণীর।

ধর্ষণের পর মৃত্যু নিশ্চিত হলে লরির কেবিনে তুলে নেওয়া হয় তরুণীকে। পুলিশ রিমান্ডে ধর্ষণকারীরা জানিয়েছেন, লরিতে করে তরুণীর লাশ নিয়ে যাওয়ার পথে চারজন আবারও তাকে ধর্ষণ করেন। এরপর জোগাড় করা হয় পেট্রল। পরে স্থানীয় এক ব্রিজের নিচে নিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয় তরুণীর লাশ।

পরে বৃহস্পতিবার সকালে ওই তরুণীর সম্পূর্ণ অগ্নিদগ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। একটি লকেটের সূত্র ধরেই তার দেহ শনাক্ত করেন পরিবারের লোকজন।

advertisement