advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বাংলাদেশের ¯¦র্ণময় একটি দিন

ক্রীড়া প্রতিবেদক
৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ২৩:৩৯
advertisement

এসএ গেমসে বাংলাদেশকে প্রথম সোনার পদক জয়ের স্বাদ পাইয়ে দেন দীপু চাকমা। তবে সোনার একদিন পার করল বাংলাদেশ। গেমসের তৃতীয় দিন মোহাম্মদ আল আমিন, মারজান আক্তার প্রিয়া ও হুমায়রা আক্তার অন্তরা নিজ নিজ ইভেন্টে সোনা এনে দিয়েছেন। কারাতের কুমিতে একের

পর এক সাফল্য তুলে নেন বাংলাদেশের তিন কারাতেকাÑ মোহাম্মদ

আল আমিন, মারজান আক্তার ও হুমায়রা আক্তার।

কাঠমান্ডুর সাতদাবাতোর ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টস কমপ্লেক্সে পুরুষ একক অনূর্ধ্ব-৬০ কেজি ওজন শ্রেণিতে পাকিস্তানের জাফরকে ৭-৩ ব্যবধানে পরাজিত করেন আল আমিন। একই ভেন্যুতে মেয়েদের অনূর্ধ্ব-৫৫ কেজি ওজন শ্রেণিতে পাকিস্তানের কৌসরা সানাকে ৪-৩ পয়েন্টে হারিয়েছেন মারজান আক্তার। নারী একক অনূর্ধ্ব-৬১ কেজি ওজন শ্রেণিতে নেপালের অনু গুরুংকে ৫-২ পয়েন্টে হারান হুমায়রা আক্তার।

আল আমিনের বয়স ২৫ বছর। সোনা জয়ের স্বপ্ন নিয়ে নেপাল গিয়েছেন এই কারাতেকা। সে স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। সোনা জয়ের আনন্দে ভাসছেন রাজশাহী থেকে উঠে আসা আল আমিন। কারাতে খেলতে আসার গল্প শোনাতে গিয়ে বলেছেন, প্রথম দিকে তিনি আগ্রহী ছিলেন না। তবে ছোট চাচা শরিফুল ইসলামের কারণেই তার কারাতে খেলতে আসা। চাচার হাতে মারও খেয়েছেন বলে জানান আল আমিন।

গত নভেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতেছিলেন আল আমিন। তিনি জানান, নেপালে অনেক আশা নিয়ে এসেছেন। তার বিশ্বাস ছিল দেশের জন্য কিছু করতে পারবেন। বলেছেন, আমি পেরেছি। বিদেশের মাটিতে দেশের পতাকা তুলে ধরতে পারছি। খুব গর্ব লাগছে।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলা বিভাগে প্রথম বর্ষে পড়ছেন মারজান আক্তার। প্রথমবার সেরার মুকুট মাথায় পরেছেন তিনি। তার হাত ধরে তৃতীয় সোনার পদক জিতেছে বাংলাদেশ। আল আমিনের সোনা জেতাটা তাকে অনুপ্রাণিত করেছে বলে জানিয়েছেন মারজান। বলেছেন, ‘এটা আমার জীবনের সর্বোচ্চ অর্জন।’ ১৯ বছর বয়সী এই অ্যাথলেট মাত্র তিন বছর আগে কারাতে শুরু করেন। সোনার পদক জয়ের পর তিনি বলেছেন, আল আমিন ভাই যখন গোল্ড পান আমি তখন অনুশীলন করছিলাম। একটু পরই আমার খেলা ছিল। ওনার গোল্ড পাওয়ার খবর আমার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়। মনে হয় আমিও সোনা জিততে পারব। মারজান জানান, তিনি এখন দলগত ইভেন্ট নিয়ে ভাবছেন।

অনেক ত্যাগ স্বীকারের ফল পেয়েছেন হুমায়রা আক্তার। এসএ গেমসের ক্যাম্পের জন্য এবার বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যালে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারেননি তিনি। তবে সোনা জয় তাকে সব দুঃখ ভুলিয়ে দিয়েছে। এসএ গেমসে স্বর্ণ জেতাটা তার স্বপ্ন ছিল বলে জানিয়েছেন। হুমায়রা বলেছেন, এ জয়টা আমি দেশকে উৎসর্গ করলাম।

এবারের এসএ গেমসে এ নিয়ে মোট ৪টি সোনার পদক জিতেছে বাংলাদেশ। লাল-সবুজদের হয়ে গত সোমবার তায়কোয়ান্দোয় ছেলেদের ২৯ (প্লাস) বয়সীদের ইভেন্ট পুমসে প্রথম সোনার পদক এনে দেন দীপু চাকমা।

advertisement