advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বিমানের সাবেক পরিচালক ও ডিজিএম গ্রেপ্তার

৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০১:৩১
আপডেট: ৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০১:৩১
advertisement

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের ১১৮ কোটি ৪ লাখ টাকার বেশি ক্ষতিসাধনের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির ১৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল মঙ্গলবার দুদক উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দিন সংস্থার সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা ১-এর দপ্তরে এ মামলা করেন। এরই মধ্যে মামলার অন্যতম আসামি বিমানের সাবেক পরিচালক (মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস) মোহাম্মদ আলী আহসান ও সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) ইফতেখার হোসেন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে দুদক। গতকাল দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য।
অন্য আসামিরা হলেনÑ বিমানের কার্গো শাখার ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক আরিফ উল্লাহ, ১৩ সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক শহিদুল ইসলাম (বর্তমানে কান্ট্রি ম্যানেজার দাম্মাম, সৌদি আরব), আমিনুল হক ভূঁঁইয়া (বর্তমানে রিজিওনাল ম্যানেজার রিয়াদ, সৌদি আরব), লুতফে জামাল, মোশাররফ হোসেন তালুকদার,
রাজীব হাসান, নাসির উদ্দিন তালুকদার, অনুপ কুমার বড়–য়া, কেএন আলম, ফজলুল হক, সৈয়দ আহমেদ পাটওয়ারী, মনির আহমেদ মজুমদার, একেএম মঞ্জুরুল হক ও মো. শাহজাহান।
এজাহারে বলা হয়, ২০১২ সালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক সভায় সিদ্ধান্ত হয়, নন-শিডিউল ফ্রেইটারের মাধ্যমে কার্গো ও মেইল পরিবহনের ক্ষেত্রে শিডিউল ফ্রেইটারের কাছ থেকে আদায়যোগ্য চার্জের অতিরিক্ত হিসেবে প্রতি কেজির জন্য নির্ধারিত হারে চার্জ আদায় করা হবে। মোট ৪ হাজার ১১৫টি নন শিডিউল ফ্রেইটার সর্বমোট ১৩ কোটি ৯৮ লাখ ৯২ হাজার ৪৯০ কেজি কার্গো ও মেইল পরিবহন করে। যার মোট অনাদায়ী কার্গো হ্যান্ডলিং চার্জ ১ কোটি ৫০ লাখ ৯৩ হাজার ৭৪ মার্কিন ডলার বা ১১৮ কোটি ৪ লাখ ১৭ হাজার টাকা। কিন্তু আসামিরা অসৎ উদ্দেশ্যে পরস্পর যোগসাজশ করে এ চার্জ আদায় করেনি। বিষয়টি ধরা পড়ার পর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব জনেন্দ্রনাথ সরকারের নেতৃত্বে গঠিত পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকির জন্য বিমানের কার্গো শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়ী করে। যার পরিপ্রেক্ষিতে এ মামলা করেছে দুদক।

advertisement