advertisement
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ফের আন্দোলন উত্তপ্ত জাবি

৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ০২:২২
আপডেট: ৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ০২:২২
advertisement

উপাচার্য ফারজানা ইসলামকে অপসারণের দাবিতে ফের আন্দোলনে নেমেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘ এক মাস পর গতকাল বৃহস্পতিবার ক্যাম্পাস খুললে বেলা সোয়া একটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুরাদ চত্বর থেকে মিছিল শুরু করেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের কয়েকটি সড়ক ও প্রশাসনিক ভবন প্রদক্ষিণ করে বটতলায় গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে আবাসিক হল খুলে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় সচল করার সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তবে উপাচার্য ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত চান তারা।
সমাবেশে দর্শন বিভাগের অধ্যাপক আনোয়ারুল্লাহ ভুঁইয়া বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেও আমরা তা দেখতে চাই। আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে এই উপাচার্যকে অপসারণ করে
বিশ্ববিদ্যালয়কে কালিমামুক্ত করতে চাই। তিনি আরও বলেন, গত ৫ নভেম্বর উপাচার্যের মদদে ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা আমাদের যৌক্তিক আন্দোলনে হামলা চালিয়েছিল। এই উপাচার্যের দুর্নীতির খতিয়ান দীর্ঘ হচ্ছে।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের (মার্ক্সবাদী) বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত দের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক শাকিল উজ্জামান। সমাবেশ শেষে ১০ ডিসেম্বর উপাচার্যের দুর্নীতির খতিয়ান
প্রকাশ করা হবে বলে ঘোষণা দেন আন্দোলনের সমন্বয়ক অধ্যাপক রাইহান রাইন। জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুশফিক-উস-সালেহীন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় সচল করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একটি বিজয় অর্জন করেছেন। ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিয়ে উপাচার্য আমাদের ওপর ঠিক এক মাস আগে হামলা চালিয়েছিল। আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাব।
বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফারজানা ইসলামকে অপসারণের দাবিতে প্রায় দুই মাস ধরে আন্দোলন করে আসছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। এই দাবিতে গত ৪ নভেম্বর সন্ধ্যা সাতটা থেকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। পরদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের পিটিয়ে সরিয়ে দেন। সেদিনই জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডেকে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন উপাচার্য। এরপর গত মঙ্গলবার আবার জরুরি সিন্ডিকেটে বিশ্ববিদ্যালয় সচল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী গতকাল সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো খুলে দেওয়া হয়। আর আগামীকাল রবিবার ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

advertisement